কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লেগুনার (স্থানীয় ভাষায় ‘ছাড়পোকা’) মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী নয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শামশুজ্জামান।
নিহতরা হলেন- ঈদগাঁও উপজেলার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮), আমিনুল হকের ছেলে মো. জিয়াবুল হক (২৫), চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী সেগুনবাগিচা গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫) এবং ফুলছড়ি শিয়াপাড়ার মৃত মনজুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭)।
পুলিশ জানায়, কক্সবাজারমুখী নোয়াখালী সদর থেকে ছেড়ে আসা লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮০৯০) খুটাখালী নয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঈদগাঁও থেকে চকরিয়াগামী একটি নম্বরবিহীন লেগুনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালকসহ যাত্রীরা আহত হন।
স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জসিম উদ্দিনের মৃত্যু হয় মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহেদ, রফিক ও জিয়াবুল।
আহতদের মধ্যে ঈদগাঁওর নতুন অফিস এলাকার জিয়াবুল হক (৪০), নাপিতখালীর সরোয়ার (১৯), সৈয়দ আলম (৫০) ও খুটাখালীর দেলোয়ার হোসেন (৩৫) মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে এবং টেকনাফের সৈয়দ করিম (৩০) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার এসআই শামশুজ্জামান জানান, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লেগুনা জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

