মাদ্রাসার কোড নিয়ে গরমিল, ৪৭ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে বোর্ডে তলব

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০

একই নাম ও ঠিকানায় আলাদা আলাদা কোড ব্যবহার করে একাধিক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা পরিচালনার তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। এ ঘটনায় তালিকাভুক্ত ৪৭টি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্রসহ সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুনানিতে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনলাইন ও অফলাইনের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক মো. নূরুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বোর্ডে সংরক্ষিত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সংযুক্ত তালিকায় থাকা কয়েকটি মাদ্রাসার নাম, জেলা ও উপজেলা একই। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে একাধিক কোড বরাদ্দ রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতির কারণে দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকার ১ থেকে ২৫ নম্বরে থাকা মাদ্রাসাগুলোর প্রধান শিক্ষকদের আগামী বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় শুনানিতে অংশ নিতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ৫০৪ নম্বর কক্ষে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। আর ২৬ থেকে ৪৭ নম্বর পর্যন্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকদের বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় একই কক্ষে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

শুনানিতে অংশ নিতে প্রধান শিক্ষকদের ঢাকার বকশীবাজারে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২ নম্বর অরফ্যানেজ রোডের কার্যালয়ে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকতে হবে। এ সময় তাদের ইবতেদায়ি মাদ্রাসার প্রথম স্বীকৃতি এবং সর্বশেষ স্বীকৃতি নবায়নের মূল কপি সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া মাদ্রাসার নামে থাকা জমির মূল দলিল, অনলাইন পর্চা এবং হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদ সঙ্গে রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অথবা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সত্যায়িত শিক্ষক ও কর্মচারীর তালিকাও নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।

বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়, শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের মূল কাগজপত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রতিটি কাগজের এক সেট ফটোকপি জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে অংশ না নিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনলাইন ও অফলাইনের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে।

 

ইত্তেফাক/এমএসআর