নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭

নিউজিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা নীতিতে চারটি পরিবর্তন এনেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়মে মাস্টার্স বাই রিসার্চের শিক্ষার্থীদের কাজের সময়সীমা নির্ধারণ, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাই, ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া এবং কোর্স শেষে ভিসার মেয়াদে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের (আইএনজেড) নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাস্টার্স বাই রিসার্চের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৫ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। তবে ছুটির সময়ে পূর্ণকালীন কাজ করার সুযোগ থাকবে। আগে এ ধরনের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল না।

নতুন নিয়মে ভিসার শর্ত পূরণে শিক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী ভিসার শর্তগুলো যথাযথভাবে মেনে চলতে পারবেন কি না, তা নির্ধারণে তাঁর ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বিবেচনা করা হবে।

এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকলে ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করতে পারবে ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড। আগে যেসব পরিস্থিতিতে আবেদন স্থগিত করা যেত, নতুন নিয়মে তার পরিধি বাড়ানো হয়েছে।

এ পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার শর্ত পূরণের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটি নিউজিল্যান্ডের নিয়মকানুন মেনে চলছে কি না, তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কোর্স শেষে ভিসার মেয়াদে পরিবর্তন

নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষার্থীর কোর্স শেষ হওয়ার পর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের সময় এক মাস থেকে বাড়িয়ে দুই মাস করা হয়েছে। তবে ৩১ মার্চ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকছে।

আগের নিয়মে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধরন ও মেয়াদের ওপর নির্ভর করে ৩১ মার্চ অথবা কোর্স শেষ হওয়ার এক মাস পর ভিসার মেয়াদ শেষ হতো। এখন প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোর্স শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত দুই মাস সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।

নতুন নিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভিসার শর্ত, কাজের অনুমতি এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মাস্টার্স বাই রিসার্চের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের পরিকল্পনায় নতুন সময়সীমা বিবেচনায় রাখতে হবে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

ইত্তেফাক/এসজে