আয়ারল্যান্ডে জেলহত্যা দিবস পালিত

আয়ারল্যান্ডে জেলহত্যা দিবস পালিত
য়ারল্যান্ডের ডাবলিনে যথাযথ মর্যাদায় জেলহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে যথাযথ মর্যাদায় জেলহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। গত ৪ নভেম্বর মহানগর ডাবলিন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জুম অ্যাপের মাধ্যমে এক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। এর সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর ডাবলিন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফিরোজ হোসেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তারাই জেল হত্যাকাণ্ডের মূল কারিগর।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী, বর্তমানে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এবং ভোলা-১ আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদ।

তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু তার জীবনের ১৪টি বছর জেলে কাটিয়েছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এই দেশের জন্য। বঙ্গবন্ধু যখনই জেলে ছিলেন তখনই এই জাতীয় চার নেতা আওয়ামী লীগের হাল ধরে দলকে পরিচালিত করেছে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তারাই দল, দেশ ও স্বাধীনতার যুদ্ধ কে পরিচালিত করেছে। কিন্তু কেন এই হত্যাকাণ্ড? তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন ,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেন আর এই দেশের ক্ষমতায় আর না আসতে পারেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ যেন আর এই দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ না করতে পারেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছিল জাতির জন্য ক্রান্তিকাল। এই সকল ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন জিয়াউর রহমান। সম্পূর্ণ নিরপরাধ জাতীয় চার নেতার হত্যাকারী যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের ধরে এনে বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: বাঘায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারীর দায়িত্ব নিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অনুষ্ঠানের অন্য বিশেষ অতিথি জার্মানির বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনারারি কনস্যুলার ইঞ্জিনিয়ার হাসনাত মিয়া বঙ্গবন্ধুসহ জেলহত্যা কাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বর্তমানে যেসব ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা বিদেশেই হচ্ছে। তাই সকলকে এই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। অনেকদিন পরে হলেও জেল হত্যাকাণ্ডের আমরা আংশিক বিচার পেয়েছি কিন্তু এর পূর্ণ বিচার হতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরেও বক্তব্য রাখেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি লিঙ্কন মোল্লা, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদা হক কণিকা ও বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রশিদ বুলু।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক খান, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল ইসলাম, ডাবলিন আওয়ামী লীগের সাধাণ সম্পাদক অলক সরকার, সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান লিঙ্কন, টিটু খন্দকার, মো. সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ খন্দকার, সাইফুল ইসলাম রবিন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুন্না সৈকত, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বিষিয়ক সম্পাদক নাসির আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ও প্রচার সম্পাদক খাইরুল ইসলাম পায়েল।ওফেলি আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মামুনুর রশিদ , সাধাণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান শুভ্র ও সহ-সভাপতি দেবেশ কর্মকার। কর্ক আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সানোয়ার হোসেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন, কর্ক আওয়ামী লীগের সদস্য রুপেশ বড়ুয়া, আবুল খায়ের ভূঁইয়া এবং মাহবুবুর রহমান পল্লব আয়ারল্যান্ড বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ফয়জুল্লা সিকদার, আয়ারল্যান্ড ছাত্রলীগের সভাপতি নোমান চৌধুরি এবং সাধারণ সম্পাদক রিব্বি ইসলাম।

আরও উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রিয়া প্রবাসী এবং পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা পাখন, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রানা বক্তিয়ার, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইউরোপের সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন হায়দার এবং জার্মান আওয়ামীলীগের সদস্য সেলিম ভূঁইয়া।

ইত্তেফাক/এসি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত