ঢাকা বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬
৩০ °সে


জলবায়ু পরিবর্তনে ২০ বছরে ১ কোটি মানুষ ঢাকায় স্থানান্তর হবে

জলবায়ু পরিবর্তনে ২০ বছরে ১ কোটি মানুষ ঢাকায় স্থানান্তর হবে
প্রতীকী ছবি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী ২০ বছরের মধ্যে ১ কোটি মানুষ ঢাকা শহরে চলে আসবে। এ জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধে কার্যকর যুগোপযোগী উদ্যোগ নিতে হবে। যার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও গবেষণা। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতে মনিটরিং দক্ষতা বাড়াতে হবে।

গতকাল রবিবার ‘বাংলাদেশ জলবায়ু বাজেট ২০১৯-২০ অর্থবছর : সুশীল সমাজ সংস্থার বিশ্লেষণ ও প্রতিফলন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা জানান বক্তারা। রাজধানীর কাওরান বাজারে ‘দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে’ অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এ বৈঠক। এতে বক্তারা আরো বলেন, গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাজেট বাড়াতে হবে।

জলবায়ু বাজেট বিষয়ে আলোচনা করেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের পরিচালক ড. ছলিমুল হক। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতার দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এটা প্রশংসনীয়। জলবায়ু পরিবর্তন খাতে আরো বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে এ জলবায়ু বিশেষজ্ঞ বলেন, পানির পরিবর্তন মানেই জলবায়ুর পরিবর্তন। জলবায়ুর পরিবর্তন হলে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন কোনটি সবাইকে বুঝতে হবে। গরম-বৃষ্টি বাড়লেই জলবায়ু পরিবর্তন বোঝায় না। এটা গবেষকদের কাছ থেকে জানতে হবে। সবার দায়িত্ব রয়েছে এটা বোঝার। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম সচিব খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘বছরের পর বছর সরকার বাজেটে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বরাদ্দ বাড়াচ্ছে। তবে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমরা ১০০ মিটার যেতে চাইলে ৫০ মিটার যেতে পারি। গত বছর ১৯ জেলায় বন্যা হয়েছিল কিন্তু এ বছর ২৮ জেলায় বন্যা হয়েছে। আমরা আমাদের কার্যক্রম বাড়াচ্ছি, অন্যদিকে জলবায়ু বিপর্যয়ের বিষয়টিও কিন্তু থেমে নেই।’ স্বাগত বক্তব্যে অ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব মোকাবিলায় যে বাজেট রাখা হয়, সেটা সংকট উত্তরণে কতটুকু ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে ভাবা দরকার। জবাবদিহিতা বাড়াতে একটি যৌথ মনিটরিং টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, এ টাস্কফোর্সে সরকারি কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাত অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এতে এ খাতের উন্নয়ন টেকসই ও অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে রেস্টুরেন্টে বিস্ফোরণ আহত ১৮, তদন্ত কমিটি গঠন

শুরুতে জলবায়ু বাজেটের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লিড অব রিসাইলিয়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট জাস্টিস প্রোগ্রামের তানজির হোসাইন ও প্রোগ্রাম অফিসার সৈয়দা লামিয়া হোসাইন।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন