আরিচা-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে বিড়ম্বনা, গাদাগাদি করে ফেরি পারাপার

আপডেট : ২৯ মে ২০২০, ১৭:১৭

ঈদের ছুটি কাটিয়ে মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। চাপ বাড়ছে আরিচা-পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে। পদ্মার পানি বৃদ্ধি এবং ভাঙনে পাটুরিয়া ঘাটের পন্টুনের প্রবেশদ্বার পানিতে তলিয়ে গেলেও সচল রয়েছে একটি ফেরি ঘাট। পারাপারে নিরাপদ দূরত্বের বালাই নেই যাত্রীদের। প্রশাসন কিংবা বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।

শুক্রবার সকাল থেকেই পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ঢাকামুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দুটি ফেরি ঘাট বন্ধ হওয়ায় ব্যক্তিগত এবং মালবাহী গাড়ী ফেরিতে উঠতে দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা দীর্ঘ হচ্ছে। 

ঘাটে আটকে থাকা ট্রাক ড্রাইভার মোহন মিয়া বলেন, ভোর ৭টায় ঘাটে এসেছি। সবগুলো ঘাট ভাল থাকলে ঘন্টাখানেকের মধ্যেই সিরিয়াল ধরতে পারতেন। 

আরও পড়ুন: এবার অর্ধশতাধিক ডিম দিলো ‘জুলিয়েট’

এ বিষয়ে শুক্রবার দুুপুর ২টার দিকে মুঠোফোনে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসির) আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে আমাদের ৪টি ফেরি ঘাট প্রস্তুত হয়েছে, ছোট-বড় মিলিয়ে ১০টি ফেরি চলছে। 

তিনি বলেন, ফেরিতে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে পারছি না। মানুষ গাদাগাদি করে উঠে পড়ছে। বিগত সময় পুলিশ কঠোর অবস্থানে ছিল এখন তাদের কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। 

ইত্তেফাক/এসি