ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৬
৩২ °সে


কুমিল্লার রাফিদুল চাঁদপুরে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ

কুমিল্লার রাফিদুল চাঁদপুরে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ
নিখোঁজ কলেজ ছাত্র। ছবি: ইত্তেফাক

কলেজের সহপাঠীদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর মোহনায় পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে কুমিল্লার কলেজ ছাত্র রাফিদুল ইসলাম। নিখোঁজ রাফিদুল কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।

বুধবার ঈদের ছুটিতে কলেজ বন্ধ থাকায় বন্ধুদের সঙ্গে চাঁদপুর ভ্রমণে গিয়ে নদীতে গোসল করতে নেমে প্রবল স্রোতে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় ওই শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা নগরীর শাকতলা এলাকার বন বিভাগের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী রাফিদুল ইসলাম ও একই কলেজের তার ৮ সহপাঠী মিলে বুধবার সকালে কুমিল্লা থেকে চাঁদপুরে মেঘনা নদী ভ্রমণ করতে যায়। তারা দুপুর ১২টার দিকে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় স্রোতের সঙ্গে রাফিদুল হারিয়ে যায়।

খবর পেয়ে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল নিখোঁজস্থলসহ আশপাশে ব্যাপক তল্লাশী চালায়। বুধবার রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি।

শিক্ষার্থী রাফিদুলের এমন মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বজনসহ ওই কলেজের শিক্ষক ও তার সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে একমাত্র ছেলে নদীর প্রবল স্রোতে পানিতে ডুবে যাওয়ার খবরে শোকে মুর্ছা যাচ্ছেন তার বাবা ও মাসহ পরিবারের লোকজন, চলছে স্বজনদের আহাজারি।

রাত ৮টায় চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. নাসির জানান, মেঘনা নদীর মোহনা এলাকায় ওই শিক্ষার্থীর নিখোঁজের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন নদী এলাকায় তল্লাশী চালায়, কিন্তু তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, নদীর মোহনায় প্রবল স্রোতে পানিতে ডুবে সে মারা গেছে। লাশ উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। তবে অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে উদ্ধার অভিযান স্থগিত রয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আবারও অভিযান শুরু করা হবে।

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের যাবজ্জীবন

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক জানান, কলেজে ঈদের ছুটি চলছে। বিকালে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কলেজের কয়েকজন শিক্ষকসহ ঘটনাস্থলসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছি। তার মরদেহ উদ্ধারে চাঁদপুরের জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। ফায়ার সার্ভিস সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে লাশ উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ জুন, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন