মহেশপুরে মেয়ে ও নাতি হত্যা মামলার বাদীকে সাতক্ষীরা আদালতে হত্যার চেষ্টা

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:২২

মহেশপুরে মেয়ে ও নাতি হত্যা মামলার বাদী ও তার সঙ্গীকে সাতক্ষীরা আদালত চত্বরে আসামিপক্ষ হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ওই মামলার বাদী উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের স্ত্রী মেহেরুননেছা। তার সঙ্গে ছিলো তার ভাইপো সাকিল। আসামিপক্ষ পুলিশ কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) আব্দুল আলিম। আসামি তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে বাদী দুজনকে হত্যার চেষ্টা করে।

মামলার বাদী মেহেরুননেছা জানান, বৃহস্পতিবার মেয়ে ও নাতি হত্যা মামলার খোঁজ নিতে তার ভাইপো সাকিলকে নিয়ে সাতক্ষীরা আদালতে যান। এ সময় আসামী আব্দুল আলিম তাদের দেখে তার শ্বশুবাড়ির লোকজনসহ ৬/৭ জনকে ডেকে এনে সাকিল ও মেহেরুননেছার ওপর হামলা করে। আসামিরা সাকিলকে আদলত চত্বরে পাড়িয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। আদালত চত্বরের লোকজন ছুটে এসে তাদের রক্ষা করে। 

এ সময় মামলা তুলে না নিলে প্রকাশ্যে বীরদর্পে আসামিরা তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে আসামিরা থানায় গিয়ে বাদীর বিরুদ্ধে জিডিও করে। প্রাণভয়ে মেহেরুননেছা ও সাকিল পালিয়ে এসে ঝিনাইদহের মহেশপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।

মানবাধিকার সংস্থা রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসির) এর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে খোঁজ নিলে সাতক্ষীরা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাউদ্দিন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তার দিক নির্দেশনায় শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর থানায় মেহেরুননেছা বাদী হয়ে হত্যার চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। সাত্ক্ষীরা সদর থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আরও পড়ুন: গত দশ বছরে দেশে শুধু লুট আর হরিলুট হয়েছে: মেনন

উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ই ফেব্রুয়ারি রিপনা খাতুন (২২) ও তার শিশু কন্যা মুন্নি খাতুনকে (৪) আসামি আব্দুল আলিম হত্যা করে সাতক্ষীরা ইছামতি নদীতে লাশ ফেলে দেয়। এ বিষয়ে ঐ সময় তালা ও কালীগঞ্জ থানায় পৃথক ২টি হত্যা মামলা করা হয়।

ইত্তেফাক/নূহু