ঢাকা সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৭
১৯ °সে

অমিত শাহের উপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন কমিশনের

অমিত শাহের উপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন কমিশনের
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: গালফ নিউজ

ভারতের নিম্নকক্ষ লোকসভায় সোমবার ‘নাগরিকত্ব সংশোধন বিল’ পাশ হয়েছে। বিলটি পাশের পর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। কমিশনের পক্ষ থেকে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতা-মন্ত্রীদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি উঠেছে।

সোমবার লোকসভায় বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন বিল উত্থাপন করেন অমিত শাহ। বিলটি উত্থাপনের পর কংগ্রেসসহ বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনের ভিত্তিতে বিলটি সংসদের নিম্নকক্ষে পাশ হয়।

বিলটি পাশ হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত কমিশন এক বিবৃতি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিলে নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় মানদণ্ড বেঁধে দেওয়াকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলটি পেশ করেছেন, তাতে ধর্মীয় মানদণ্ড বেঁধে দেওয়ায় ইউএসসিআইআরএফ ভীষণ উদ্বিগ্ন। সংসদের দুই কক্ষে বিলটি যদি পাশ হয়ে যায়, তাহলে মার্কিন সরকারের উচিত অমিত শাহসহ সে দেশের অগ্রগণ্য নেতাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক মোড়, যা ভুল পথে এগোচ্ছে। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ, বহুত্ববাদী ইতিহাস এবং সে দেশের সংবিধান, যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সমানাধিকারের কথা বলে, এই বিল তার পরিপন্থী।’

আরও পড়ুন: তুমুল বিতর্কের মধ্যেই ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস

বিলটি চূড়ান্তভাবে পাশ হলে ভারতের কয়েক কোটি মুসলমান নাগরিকত্ব হারাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে কমিশন। এর আগে আসামে নাগরিক পঞ্জি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ইউএসসিআইআরএফ। ইচ্ছাকৃত ভাবে মুসলমানদের বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে সেই সময় দাবি করেছিল তারা।

নাগরিকত্ব সংশোধন বিল ইস্যুতে ইউএসসিআইআরএফ এর সুপারিশ মার্কিন সরকার বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেননা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে কোনও দেশ বা ব্যক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো যায় কি না সে সিদ্ধান্ত নিতে ইউএসসিআইআরএফ এর রিপোর্টের উপর নির্ভর করে।

ইত্তেফাক/এসইউ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন