ঢাকা মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
৩৩ °সে

হ্যারি-মেগানের নতুন জীবন শুরু  

হ্যারি-মেগানের নতুন জীবন শুরু   
প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল । ছবি : সিএনএন

ব্রিটেনের রাজসিংহাসনের দাবিদারদের একজন প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল রাজপরিবার থেকে বের হয়ে সাধারণ জীবনে প্রবেশ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার থেকেই তারা তাদের রাজকীয় উপাধি ডিউক অব সাসেক্স এবং ডাচেস অব সাসেক্স পরিত্যাগ করেছেন। ৩১ মার্চ ছিল তাদের রাজপরিবার থেকে বের হয়ে যাওয়ার শেষ দিন।

গত জানুয়ারিতেই তারা এ ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবার ছাড়ার পর এখন থেকে তাদের দাতব্য প্রতিষ্ঠান, ওয়েবসাইট এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকউন্টেও তারা রাজকীয় উপাধি ব্যবহার করবেন না। এমনকি রাজপরিবারের কোনো দায়িত্ব তারা আর পালন করবেন না। সাসেক্সের একজন মুখপাত্র এ কথা জানিয়েছেন। —সিএনএন

সাসেক্সের ওই মুখপাত্র বলেন, ডিউক অব সাসেক্স এবং ডাচেস অব সাসেক্স নতুন মাস থেকেই সাধারণ জীবনে প্রবেশ করছেন। এর আগে প্রিন্স হ্যারি এবং তার সাবেক অভিনেত্রী স্ত্রী মেগান মার্কেলের রাজপরিবার থেকে বের হয়ে যাওয়ার যৌথ বিবৃতি পুরো ব্রিটেনে হইচই ফেলে দেয়। ওই বিবৃতিতেই তারা জানিয়ে ছিলেন, রাজপরিবারের ব্যয়ের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ তারা আর নেবেন না। বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে পদত্যাগ করার এবং মহামান্য রানিকে সমর্থন অব্যাহত রেখে আর্থিকভাবে স্বতন্ত্র হওয়ার জন্য কাজ করার পরিকল্পনা নিয়েছি। আমরা রাজপরিবারের ‘জ্যেষ্ঠ’ সদস্যের দায়িত্ব থেকে সরে আসতে চাইছি। পাশাপাশি মহামান্য রানির প্রতি আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। নিজেদের সন্তানকে নিয়ে জীবনযাপনের জন্য তারা ব্রিটেন এবং উত্তর আমেরিকায় সময় কাটাতে চান বলেও জানিয়ে দেন।

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তারা রাজপরিবারের কারো সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করেননি। এমনকি রানিও বিষয়টি জানতেন না। জানা গেছে, এরই মধ্যে তারা উত্তর আমেরিকায় একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন এবং আফ্রিকায় নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করেছেন।

রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর কিছুদিন কানাডায় ছিলেন এ দম্পতি। সমপ্রতি তারা কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন। রাজপরিবার ছাড়ার কারণে কানাডা কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আর কোনো বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন না তারা। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবার ছাড়ার একদিন আগেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আমি ব্রিটিশ রানি ও যুক্তরাজ্যের একজন ভালো বন্ধু ও ভক্ত। তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রিন্স হ্যারি ও মেগানের নিরাপত্তার খরচ ওয়াশিংটন দেবে না। এর ব্যয় তাদেরই বহন করতে হবে। এর আগে গত মাসে কানাডা সরকারও জানিয়ে দেয়—রাজপরিবারের ‘স্ট্যাটাস’ পরিবর্তনের কারণে তাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা-সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

আরো পড়ুন : ঘরে থাকার নির্দেশকে পাত্তা দিচ্ছে না মানুষ

হ্যারি ও মেগান দম্পতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি খরচে নিরাপত্তা নেওয়ার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই। এই দম্পতির পক্ষে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই ডিউক ও ডাচেসের। ব্যক্তিগত অর্থে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

ইত্তেফাক/এসি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
০২ জুন, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন