বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭
৩২ °সে

লকডাউনে নিজের মাকে শেষবারের মতো দেখতে যাননি ডাচ প্রধানমন্ত্রী

লকডাউনে নিজের মাকে শেষবারের মতো দেখতে যাননি ডাচ প্রধানমন্ত্রী
ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। ছবি: সংগৃহীত

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিধি নিষেধ মেনে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। লকডাউনের শর্ত মেনে মারা যাওয়া নিজের মাকেও দেখতে যাননি ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। যদিও ইউরোপের অন্য দেশের তুলায় কম কঠোরতায় লকডাউন চলছে নেদারল্যান্ডে।

ডাচ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, নেদারল্যান্ডসে জারি করা লকডাউনের আওতায় কেয়ার হোমস পরিদর্শন নিষিদ্ধ। তাই নিজের মাকে মৃত্যুর পরও দেখতে পর্যন্ত যাননি রুটে। প্রধানমন্ত্রী লকডাউনের সব নির্দেশ মেনে চলছেন।

একই কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এফএফপি। রুটের মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছে, তিনি সমস্ত নির্দেশনা মেনে নিয়েছেন। মা মারা যাওয়ার আগেও তাকে দেখতে যাননি রুট।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্রধান উপদেষ্টা ডমিনিক কামিংসের লকডাউন অমান্য করা নিয়ে যখন দেশটিতে তীব্র সমালোচনা, তখন নিজের মাকে দেখতে না পারার কথা জানান নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: করোনা ভাইরাস: উহানে ৯ দিনে ৬৫ লাখ নমুনা পরীক্ষা

জানা যায়, দেশটির সরকার গত ২০ মার্চ হোম কেয়ার এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। এর প্রায় দুই মাস পর গত ১৩ মে হেগের একটি বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর মা মাইক রুট-ডিলিংয়ের (৯৯) মৃত্যুর ঘোষণা দেন রুট।

এদিকে আমস্টারডামের মেয়র শহরে পর্যটন ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে চরম সতর্কতার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডাচ মিডিয়া জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মা করোনা ভাইরাসে মারা যাননি। যদিও এর আগে যেখানে তিনি বাস করছিলেন সেখানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে।

মার্ক রুটে বলেন, তীব্র ব্যথা ও প্রিয় সব স্মৃতির পাশাপাশি তিনি আমাদের সঙ্গে এতদিন ছিলেন। আমরা তাকে পারিবারিক ভাবে বিদায় জানিয়েছি। আশা করছি তার চলে যাওয়ার ব্যথা মেনে নিতে পারব।

এদিকে ডাচ কর্তৃপক্ষ সোমবার (২৫ মে) থেকে কিছু কেয়ার হোমে সাক্ষাতের অনুমতি দিয়েছে, যা আগামী ১৫ জুন থেকে সকলের জন্য বাড়ানো হতে পারে।

উল্লেখ্য, দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন পঁয়তাল্লিশ হাজার ৪৪৫ জন এবং মারা গেছেন পাঁচ হাজার ৫৮০ জন।

ইত্তেফাক/এসি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত