খেলোয়াড় তৈরি করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু করতে চান প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৬, ২০:৪০

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকালে প্রীতি এই ম্যাচটি দেখতে জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে জাইমা রহমান। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মেডেলও পরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রীতি ম্যাচ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় সবাইকে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আমি আজকের এই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে, আয়োজকবৃন্দকে, উপস্থিত বরেণ্য খেলোয়াড়সহ সাংবাদিক ভাইয়েরাসহ গ্যালারিতে যেসব সকল দর্শক উপস্থিত আছেন, আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই আমি সকলকে আজকের এই স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাই।’

মেয়ে জাইমাকে নিয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নতুন খেলোয়াড় তৈরির জন্য ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু করতে চান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে এবং কিছুদিন আগে বাংলাদেশে যে প্রত্যাশিত নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সে নির্বাচনের সময় আমাদের দলীয় ইশতেহার থেকে আমরা বলেছি যে আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে নতুন প্লেয়ার তৈরি করতে চাই বিভিন্ন খেলায় এবং ক্রীড়াকে প্রফেশনাল রূপ আমরা দিতে চাই। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা ‘নতুন কুঁড়ি’ নামে যে অনুষ্ঠানটি ছিল, এখানে আমরা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’কেও আমরা চালু করতে চাই। শুধু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসই আমরা চালু করতে চাই না, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলা, প্রত্যেকটি উপজেলা, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে স্কুলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে আমরা খেলার কম্পিটিশন শুরু করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটি লক্ষ্য আছে, আমরা চেষ্টা করতে চাই যে ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে যে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, সেখানে আরও কীভাবে আমরা দেশের জন্য বেশি বেশি সম্মান বয়ে আনতে পারি এবং তার জন্য আমরা সুন্দরভাবে আমরা ভালো খেলোয়াড় তৈরি করতে পারি। আমাদের পরিকল্পনা আছে, সেটিও আমাদের চেষ্টা আছে।’

দল মত নির্বিশেষে সুন্দর ক্রীড়াঙ্গন নির্মাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে আসুন আমরা সকলে সিদ্ধান্ত নেই, আমরা সকলে চেষ্টা করি যারা আমরা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের বহু মানুষ আছেন যারা ক্রীড়ার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন, তাদের সকলের কাছে অনুরোধ থাকবে আসুন আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতটিকে সুন্দরভাবে দলমত নির্বিশেষে সুন্দরভাবে আমরা এই ক্রীড়া জগতটিকে গড়ে তুলি। এই ক্রীড়া দেশের জন্য যেরকম সম্মান বয়ে আনতে পারে, এই ক্রীড়া আমাদের মধ্যে সুন্দরভাবে বন্ধুত্বের, ভ্রাতৃত্বের বন্ধনও তৈরি করতে সক্ষম বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ইত্তেফাক/জেডএইচ