আরও তিন মাস খেলা হবে না জাতীয় স্টেডিয়ামে 

আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ১২:৪১

সাধারণ দর্শক ঢাকা স্টেডিয়ামে ফুটবল লিগের খেলা শেষ কবে দেখেছেন, মনে করতে পারবেন না। করোনা শুরু হওয়ার বছরেই স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ ধরা হয়েছিল। সেই কাজ শেষ হতে পাঁচ বছর কেটে গিয়েছিল। তার পরও দেশের ঘরোয়া ফুটবলের ক্লাবগুলো এই মাঠে খেলতে পারেনি। আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হয়েছে। কিন্তু ফুটবল লিগের ক্লাবকে খেলতে দেওয়া হয়নি। 

সবশেষ বাংলাদেশ-হংকং ম্যাচ হয়েছে। এরপর মাঠে ফাঁকা পড়ে থাকলেও ক্লাবগুলোকে খেলতে দেয়নি বাফুফে। ক্লাবগুলো আর্থিক সংকটের মধ্যেও ঢাকার বাইরে খেলতে যাচ্ছে। সংস্কারের করা হবে বলে মোহামেডান-আবাহনীর মতো দলগুলো ঢাকা স্টেডিয়ামে লিগের ম্যাচে খেলতে পারেনি। এখন মাঠের সংস্কারকাজ চলছে। 

বাফুফের নির্বাচন হয়েছে ২০২৪ সালের অক্টোবর। প্রায় ১৯ মাস পর বাফুফে মাঠ কমিটি ঘোষণা করলো। বাফুফের সদস্য ইকবাল হোসেন চেয়ারম্যান, সঙ্গে আছেন আরও আট সদস্য। বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল, বাফুফের সদস্য মাহিদ উদ্দিন আহমেদ সেলিম, মঞ্জুরুল আলম দুলাল, গাজীপুরের হান্নান মিয়া হান্নু, মোবারক হোসেন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোতাহার হোসেন এবং হাফসা রহমান মৌরী। 

গতকাল মাঠ কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন দুই-তিন জনকে নিয়ে ঢাকা স্টেডিয়ামের মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রথম দিনই নেই সব সদস্য। মাঠ ঘুরে দেখে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে ইকবাল জানিয়েছেন, আগস্টের ২০ তারিখের আগে মাঠ পাচ্ছেন না তারা। সময় লাগবে। এখন লেয়ার ঢালাইয়ের কাজ চলছে। 

ইকবাল বলেন, 'ইউরিয়া সার দিয়ে মাটির উর্বরতা বাড়াতে হবে। দুই প্রজাতির ঘাস পছন্দ করা হয়েছে। যে কোনো একটি রোপণ করা হবে। ঘাসের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে মাঠের পাশে। ২৫ দিন সময় নিয়ে করা হচ্ছে। ভালো হবে যেটি, সেই ধরনের ঘাস রোপণ করে মাঠ বানানো হবে।'

ইকবাল জানালেন আগে এই মাঠে বৃষ্টি হলে পানি সরে যেতে ২০-২৫ মিনিট সময় লাগত। এখন লাগবে ১০-১২ মিনিট। ড্রেনেজ লাইন উন্নত করা হয়েছে। মাঠের পাশে অন্যান্য যে ঘাস রয়েছে, সেগুলো যদি বাতাসে উড়ে গিয়ে মাঠে পড়ে, তাহলে হরেক রকমের ঘাসে মাঠ নষ্ট হবে। বাইরের ঘাস থেকে মূল মাঠ রক্ষা করাটাও জরুরি বলে জানান। মাঠ সংস্কারে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে প্রশ্নে ইকবাল জানিয়েছেন, দেখে বলতে হবে।' সংস্কারকাজ শেষ হলে ঘরোয়ার ফুটবল লিগের খেলা ঢাকা স্টেডিয়ামে হবে না, সেটি নিশ্চিত করেনি বাফুফে। তবে ক্লাবগুলো ঢাকায় স্টেডিয়ামে লিগের ম্যাচ খেলার ব্যাপারে সক্রিয় হচ্ছে।

ইত্তেফাক/জেডএইচ