বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ঝিনাইদহ-১: ভোটের লড়াই হবে ত্রিমুখী

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৭:১৬

ঝিনাইদহ জেলার ভিআইপি আসন ঝিনাইদহ- ১ (শৈলকুপা)। এ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই, বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হাইকোর্টের এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান আসাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এম রায়হান উদ্দিন নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। ওই এলাকার ভোটাররা বলছেন, মূলত এই তিন জনের মধ্যেই ভোটের লড়াই হবে।

জানা গেছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘরোয়া প্রচারণা চালাচ্ছে। অবশ্য বিএনপির পক্ষ অভিযোগ করা হচ্ছে, তাদের প্রচারণায় বাঁধা সৃষ্টি করছে আওয়ামী লীগ। কর্মীদের মাঝে রয়েছে মামলা ও গ্রেফতার আতঙ্ক চলছে। এ আসনে বিএনপির ৪টি গ্রুপ ছিল। নির্বাচনকে সামনে দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এক সাথে প্রচারণাও চালাচ্ছেন তারা। দলের নেতাকর্মীরা বলছেন মাঠ ছেড়ে যাবেন না। আর জোরেশোরে প্রচারণায় নামবে তারা।

এ আসনে অপর প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এম রায়হার উদ্দিন। তার পক্ষে মাইকিং করা হচ্ছে। স্বল্প পরিসরে কোথাও কোথাও হাতপাখার পোস্টার নজরে পড়ছে।

তবে জমজমাট প্রচারণা চালাচ্ছেন নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাই। প্রতিদিন তিনি গ্রামগঞ্জ চষে বেড়াচ্ছেন। উপজেলা সদর ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তার নির্বাচনী অফিসগুলো সব সময় নেতাকর্মীদের আনাগোনায় সরগরম থাকছে। তাদের প্রচারণায় গত ১০ বছরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হচ্ছে। সর্বত্র শোভা পাচ্ছে নৌকার প্রতীক।

আরো পড়ুন: কুমিল্লা-৭: আসন ধরে রাখতে চায় আশরাফ, পুনরুদ্ধারে মরিয়া রেদোয়ান

বিএনপির অভিযোগের জবাবে প্রার্থী আব্দুল হাই বলেন, কোথাও তাদের প্রচারণায় বাঁধা দেওয়া হচ্ছে না। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে মাইক ভাঙ্গা হয়েছে বলে শুনেছেন। আওয়ামী লীগের কেউ এ কাজ করেনি।

তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তার ৪টি নির্বাচনী অফিসে রাতের আধাঁরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা  দু’লাখ ৭৬ হাজার ৩৩৪ জন। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের ডা. কাজী খাদেমুল ইসলাম, ১৯৭৯ সালে জাসদের গোলাম মোস্তফা, ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ মো. কারুজ্জামান, ২০৮৮ সালে জাসদের দবির উদ্দিন জোয়ার্দ্দার, ১৯৯১ সালে বিএনপির আব্দুল ওহাব, ১৯৯৬ নালে বিএনপির আব্দুল ওহার, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের আব্দুল হাই নির্বাচিত হন।

ইত্তেফাক/বিএএফ