ভারতে ৩ মাসের বেতন দিয়ে ১৪০০ কর্মী ছাঁটাই করবে ‘ওলা’

আপডেট : ২২ মে ২০২০, ১৬:১৩

অনলাইনের মাধ্যমে ভারতে ক্যাব বা কার চালানো প্রতিষ্ঠান ‘ওলা’ ১৪০০ কর্মীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এসব কর্মীকে ছাঁটাইয়ের পর আর নতুন করে কোনও কর্মীকে ছাঁটাই করা হবে না বলে জানিয়েছে ওলা।

এনডিটিভি জানায়, গত বুধবার ওলা’র পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। করোনা ভাইরাসের মহামারীর ফলে সৃষ্টি হওয়া অনিশ্চয়তার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

ওলার যুগ্ম-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ভবীশ আগরওয়াল জানিয়েছেন, গত দুইমাসে ওলার লভ্যাংশ ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। দুর্ভাগ্যবশত, কোভিড সংকটের কারণে অভাবনীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক ধ্বংসের মধ্যে পড়তে হয়েছে আমাদের। তাড়াতাড়ি বিশ্ব কোভিড-পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে ফেরত যেতে পারবে না।

জানা যায়, ভারতে গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউনে রয়েছে।  চতুর্থ লকডাউনে এসে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওলা। 

তিনি আরও জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই কর্মীদের ছাঁটাই পর্ব সমাপ্ত করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ‘ওলা ফুড' ও ‘ওলা ফিনান্সিয়াল সার্ভিস'-এর কর্মীদের ছাঁটাই করা হবে। তবে এই ছাঁটাইয়ের পরে আর নতুন করে কোনও কর্মীকে ছাঁটাই করা হবে।

তবে ওলা’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের প্রতিষ্ঠানের ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের তিন মাসের বেতন দেওয়া হবে। পাশাপাশি আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবীমা ও দুর্ঘটনা বিমার আওতায় থাকবেন তারা। এমনকি তাদের অভিভাবকরা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমার আওতাতে থাকবেন বছরের শেষ সময় পর্যন্ত। 

ওলা আরও জানায়, তাদের ভাড়াটে চালকদের ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত মাসিক সাহায্য করা হবে।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৮৮ জন। যা একদিনের আক্রান্তের সংখ্যায় সর্বোচ্চ। আর গত একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৪৮ জন।

আরও পড়ুন: করোনায় ব্রাজিলে মৃতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াল

শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার মানুষ। মারা গেছেন ৩ হাজার ৫৮৩ জন। ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে পজিটিভ রয়েছেন ৬৬ হাজার ৩৩০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৮ হাজার ৫৩৪ জন। এনডিটিভি।

এদিকে, জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য মতে, সাড়া বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৫১ লাখ ১৮ হাজার ৪১৬ জন। আর বিশ্বে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ২১২ জন। সেই সঙ্গে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২২৩ জন মানুষ।

ইত্তেফাক/আরআই