কানাডা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা

আপডেট : ২৩ জুন ২০২০, ০০:৫৭

গত ২০ জুন শনিবার কানাডার টরন্টোর পার্শ্ববর্তী শহর মিসিসাগায় পুলিশের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সিটিভি নিউজ থেকে জানা যায়, শহরের গোরওয়ে এবং মর্নিং স্টার ড্রাইভের এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ৬২ বছর বয়স্ক এজাজ চৌধুরীকে পুলিশ গুলি করলে তিনি সাথে সাথে মারা যান।

খবরে প্রকাশ, এজাজ মানসিক ভাবে অসুস্থ ছিলো। বাসা থেকে সাহায্য চেয়ে পুলিশ কল করছিলো। পুলিশ এসে দরজা খোলা না পেয়ে লাথি দিয়ে ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে এবং এক পর্যায়ে গুলি চালায়। পুলিশ মনে করে সেখানে একাধিক অস্ত্র ছিলো।   

অপর দিকে গত মাসের ২৭ তারিখেও অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে টরন্টোর হাই পার্ক এলাকায়। সিবিসি নিউজের খবরে বলা হয়, ২৯ বছর বয়স্ক ইউক্রেনীয় এবং নোভা স্কটিয়ান বংশোদ্ভূত রেজিস করচিনস্কি-পাউকেট নামক এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণী মৃগী রোগে আক্রান্ত হলে তার মা ৯১১’এ কল করে পুলিশকে সহায়তা চায়। পুলিশ আসার পর ঘটনা ক্রমে অ্যাপার্টমেন্টের বারান্দা থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়। পরে তার মা অভিযোগ করে যে, পুলিশ তার মেয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে।

গত শনিবার টরন্টোর পার্শ্ববর্তী শহর ব্রামটনে এক গাড়ির ধাক্কায় কেরোলিনা সিয়াসোল নামের এক মা তিন শিশু সন্তানসহ মারা যান এবং তার গাড়িও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। খবরে প্রকাশ, পুলিশ এক অপরাধীকে তাড়া করলে সেই অপরাধী দ্রুত পালাতে গিয়ে নিয়মনীতি ভঙ্গ করে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এখানে প্রশ্ন উঠেছে, পুলিশের গাড়ি কতটা ট্রাফিক নিয়ম মেনে তাকে তাড়া করছিলো।

আবার আলবার্টা প্রদেশে গত ১০ মার্চ আসীবাসী এ্যালান অ্যাডামকে পুলিশ মাটিতে ফেলে আঘাত করতে করতে রক্তাক্ত করে এবং তা ভিডিও করে। পরে তা গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। ফলে কানাডায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের সহায়তা চাইতে গিয়ে পুলিশের কারণে প্রাণ দিয়ে হলো এজাজ এবন রেজিসকে! কানাডায় পুলিশের কাছে জনগণ কতোটা নিরাপদ?

এদিকে গত সপ্তাহে অর্থাৎ ১৪ জুন পদত্যাগ করেছেন টরন্টো পুলিশ প্রধান কৃষ্ণাঙ্গ  মার্ক সাউন্ডেরস।

ইত্তেফাক/এসআই