ভূমধ্যসাগর থেকে বাংলাদেশি সহ প্রায় ৪০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ১৭:৫২

ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া সমুদ্র অঞ্চল থেকে রবিবার ৩৯৪ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে৷ জার্মানি ও ফ্রান্সের বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত উদ্ধারকারী জাহাজ সি-ওয়াচ ৩ ও ওশান ভাইকিং নৌকায় ভাসতে থাকা এই মানুষদের উদ্ধার করে৷

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, জার্মানির জাহাজ সি-ওয়াচ ১৪১ জনকে উদ্ধার করে৷ আর ফ্রান্সের জাহাজ ওশান ভাইকিং উদ্ধার করে বাকিদের৷ উদ্ধারকৃতরা বাংলাদেশ, মরক্কো, মিশর ও সিরিয়ার নাগরিক। 

A RHIB (rigid hulled inflatable boat) crew member from the German NGO migrant rescue ship Sea-Watch 3 distributes life jackets to migrants.  
REUTERS/Darrin Zammit Lupi

জনাকীর্ণ অবস্থায় একটি কাঠের নৌকায় করে তারা সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছিলেন৷ ইঞ্জিন বিকল হয়ে নৌকাটি সমুদ্রে ভাসছিল বলে জানা গেছে৷ অভিবাসনের প্রত্যাশায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়া হয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা বাড়ছে৷ জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচএসিআর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৪২৫ অভিবাসনপ্রত্যাশী অবৈধ পথে ইউরোপে প্রবেশ করেছেন৷

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, রবিবার ভূমধ্যসাগর থেকে যেসব অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের অনেকেই নৌকা থেকে লাফিয়ে পড়ে সি-ওয়াচ ৩ এর নৌকায় ওঠার চেষ্টা করেছেন।

আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় সম্প্রতি লিবিয়া এবং তিউনিশিয়া থেকে ইতালি এবং ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাড়ি দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ভূমধ্যসাগরে ছোট ছোট নৌকায় চেপে প্রায়ই ইউরোপের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করেন।

A RHIB (rigid hulled inflatable boat) from the French NGO SOS Mediterranee migrant rescue ship Ocean Viking approaches a wooden boat overcrowded with migrants, during a joint rescue operation with the German NGO migrant rescue ship Sea-Watch 3, in international waters off the coast of Tunisia, in the western Mediterranean Sea, August 1, 2021.  REUTERS/Darrin Zammit Lupi

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বলেছে, চলতি বছরে আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টার সময় ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছেন এক হাজার ১০০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী।

ইত্তেফাক/এএইচপি