বৈদেশিক বাণিজ্যে ব্যবহৃত এলসি’র (ঋণপত্র) বিকল্প হিসেবে ফ্যাক্টরিং ব্যবস্থার প্রচলন বাড়ানোর জন্য কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন। ফ্যাক্টরিং ইন্স্যুরেন্স প্রবর্তন, ইলেকট্রনিক রেজিস্ট্রার চালু এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনশক্তিকে এ বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে হবে।
শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) যৌথ আয়োজনে “ফ্যাক্টরিংঃ এলসি’র বিকল্প পন্থা” বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
ডিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী, ডিসিসিআই সহ-সভাপতি খন্দকার শহীদুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এ চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. মাসুদ বিশ্বাস, বিআইবিএম-এর পরিচালক ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জী এবং ডিসিসিআইয়ের পরিচালকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিআইবিএম-এর পরিচালক ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে স্বল্প পরিসরে অভ্যন্তরীন ফ্যাক্টরিং চালু থাকলেও আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরিং এখনও তেমনভাবে নেই। ২০১২ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরিং-এর পরিমান ছিল ২৪ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরো। তিনি বলেন, এ পদ্ধতি আমদানীকারকদের হয়রানির হাত থেকে রক্ষা করবে এবং ব্যবসায় খরচ কমাবে। তিনি এ ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগের জন্য কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
