বাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানার প্রশাসন বিভাগ জানায়, এ কারখানা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার ৭৪৪ জন ডিলারের মাধ্যমে ইউরিয়া সার সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা সচল রাখতে সরকার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কারণে চলতি বছরের ১৬ মার্চ থেকে ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ থাকার কারণে এত দিনে কারখানাটির উৎপাদনে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২৭১ কোটি টাকা। ১ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানায় আবার গ্যাস সরবরাহ চালু করা হয়। কর্তৃপক্ষ ওই দিন থেকে উৎপাদন-প্রক্রিয়া শুরু করে।রোববার থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ চালু হওয়ায় কারখানা কর্তৃপক্ষ উৎপাদনে যেতে সক্ষম হয়।
কারখানার মহাব্যবস্থাপক (কারিগরি) সন্তোষ কুমার সরকার বলেন, পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারলে প্রতিদিন এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদিত হবে। তবে গ্যাসের চাপ কম থাকায় এই মুহূর্তে পুরো উৎপাদনে যাওয়া যাচ্ছে না।
