পরিবেশে কার্বন নিঃসরণ কমাতে প্রতিটি দেশের দায়িত্ব কি হবে তা নির্ধারণের একটি কাঠামো আজ রবিবার অনুমোদিত হয়েছে।
এই কাঠামোটিকে আগামী বছর প্যারিসে জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে নতুন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে পরিণত করা হবে।
পরিবেশের তাপমাত্রা কমাতে কোন দেশ কতটা দায়িত্ব নেবে তা নিয়ে উন্নয়নশীল ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে তীব্র মতভেদের কারণে পেরুর সম্মেলনের সময়সীমা দুদিন পিছুতে হয়। শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতা হলেও, গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত আগামী বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
তবে পরিবেশ আন্দোলনকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।
তারা বলছেন, দুর্বল একটি সমঝোতা হয়েছে যেটা পরিবেশের তাপমাত্রা কমানোর ক্ষেত্রে তেমন কোন কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে না।
আয়োজক দেশ পেরুর পরিবেশ মন্ত্রী ম্যানুয়েল পালগার-ভিদাল বলেছেন, "এটি আদর্শ কোন খসড়া নয়, কিন্তু এর ভেতর প্রতিটি দেশের স্ব স্ব অবস্থান জায়গা পেয়েছে।"
ধনী শিল্পোন্নত দেশগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল বিশ্বের পরিবর্তিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবেশের প্রতি সবারই সমান দায়িত্ব রয়েছে।
উদাহরণ হিসাবে তারা তুলে ধরে, বিশ্বের গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণের ৫০ শতাংশেরও বেশি এখন উন্নয়নশীল বিশ্বই করছে।
তবে চীন ও ভারত সহ জি-৭৭ দেশগুলোর বক্তব্য ছিল, দায়িত্ব সবার হলেও, দায় শিল্পোন্নত দেশগুলোকেই বেশি নিতে হবে।
এছাড়া, দরিদ্র দেশগুলো চাপ দিচ্ছিল পরিবেশের কারণে তাদের যে দুর্দশা হচ্ছে, তা সামলাতে নতুন চুক্তিতে আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সূত্র: বিবিসি
