গৃহকর্মীকে নির্যাতন ও পারিশ্রমিক না দেয়ার মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না নিউইয়র্কে বাংলাদেশের সাবেক কনসাল জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী। গৃহকর্মী মাসুদ পারভেজ রানার মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফাহিমা তাহসিনা প্রভার করা এক আবেদন মঙ্গলবার খারিজ করে দেন নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাট্ন ফেডারেল কোর্টের বিচারক সিডনি স্টেইন। আদালতের আদেশে বলা হয়, গৃহকর্মীর চাকরি ও তত্ত্বাবধান কূটনীতিকের ব্যক্তিগত কাজ, এটা কনস্যুলারের কাজের কোন বিষয় নয়।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, মাসুদ পারভেজ রানা এ-থ্রি ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তার দাবি মনিরুল ইসলাম তাকে মাসিক তিন হাজার ডলার বেতন ও ভিসা নবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। কিন্তু যাওয়ার এক-দেড় বছরের মধ্যে তাকে কোনো বেতনই দেয়া হয়নি। বরং জোরপূর্বক ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে দিনে ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা কাজ করিয়েছেন। বিনা পারিশ্রমিকে ‘দাসত্বের মতো পরিবেশে’ কাজ করতে বাধ্য করার অভিযোগে ম্যানহাট্ন ফেডারেল কোর্টে গত বছরের ২১ মার্চ মনিরুল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাসুদ পারভেজ রানা মামলা করেন। মামলায় বলা হয়েছে, রানা যাতে বাসা থেকে কোথাও যেতে না পারেন সেজন্য তার পাসপোর্ট ও ভিসা আটকে রাখা হয়। বাইরে গেলেই পুলিশ ধরে জেলে দেবে অথবা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেবে বলে তাকে ভয়ও দেখানো হয়। এ মামলা দায়েরের আগেই মরক্কোয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পান মনিরুল ইসলাম। মামলার ঠিক পরেই ওই বছরের ২৩ মার্চ সস্ত্রীক তিনি মরক্কো যান। এখনো তিনি মরক্কোয় কর্মরত রয়েছেন।
