রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় পুঁজিবাজারের লেনদেনের উপর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গত প্রায় এক মাস ধরে বাজারের সূচক কমার পর গত চার কর্মদিবস ধরে সূচক বাড়লেও লেনদেনে কোনো উন্নতি নেই। প্রায় এক মাস ধরেই বাজারে লেনদেন হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার মধ্যে। রবিবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে।
তথ্যে দেখা গেছে, রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২১ কোটি ৯ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৮টির, কমেছে ১২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৪ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৯টির, কমেছে ৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ারের।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ের টানা দরপতনের ফলে অনেক শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা শেয়ারগুলো কিনছেন। এ জন্য সূচক কিছুটা বাড়ছে। তবে লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোসের প্রভাবই বেশি। দাম বাড়ার ক্ষেত্রেও কোম্পানিটি এগিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া, লাফার্জ সুরমা সিমেন্টও লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষ কোম্পানিগুলোর মধ্যে অবস্থান করছে।
