সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলায় একটি যৌথ আরব সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ সিসি। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে রবিবার তিনি এ কথা বলেন।
সিসি বলেন, মিসরীয় সেনাবাহিনীর অন্য কোন দেশে আগ্রাসন বা হামলা চালানোর কোন আগ্রহ নেই। তারা নিজের দেশরক্ষায় সক্রিয় রয়েছে। প্রয়োজনে এ অঞ্চলের আরব দেশগুলোকেও তারা সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলে একটি যৌথ আরব বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা দিনে দিনে বাড়ছে। আত্মরক্ষার প্রয়োজনে মিসর প্রতিরোধ করতে পারে, তবে তা আরব দেশগুলোর সহযোগিতার ভিত্তিতে করা হবে।’
এর আগেও সিসি যৌথ আরব বাহিনী তৈরির কথা উল্লেখ করেছিলেন। তবে এবারই প্রথম তিনি জনসমক্ষে এ ইচ্ছার কথা জানালেন। গত বছরের নভেম্বরে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে মোকাবেলায় যৌথবাহিনী সৃষ্টির ব্যাপারে মিসর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মধ্যে আলোচনা করেছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোন সিদ্ধান্ত না হলেও মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর জোটভুক্ত হয়ে সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের (ইসলামিক স্টেট) বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাচ্ছে আরব রাষ্ট্রগুলো।
সম্প্রতি লিবিয়ায় ২১ মিসরীয় খ্রিষ্টানের শিরশ্ছেদের পর সেখানে বিমান হামলা চালায় মিসর। ওই হামলার ব্যাপারে সিসি বলেন, ‘সচেতনভাবে পর্যালোচনার পর ১৩টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।’ তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। সিসি তার ভাষণে মুরসি সরকারের সময় কারাবন্দী সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ছেড়ে দেওয়ারও ঘোষণাও দেন। সূত্র: আল জাজিরা
