সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির, ইয়ারমুকে জরুরি মানবিক সাহায্য প্রবেশ নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। মঙ্গলবার বিবিসির অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা ফিলিস্তিনদের বাঁধার মুখেই ঐ শরণার্থী শিবিরে প্রবেশ করে এবং তাদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো প্রায় ১৮ হাজার শরণার্থী শিবিরটিতে আটকা পড়ে আছে।
গত ১ এপ্রিল ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা হামলা শুরু করার পর থেকেই ইয়রমুকের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে শুরু করে।
সিরিয়া সরকারের বিরোধী ফিলিস্তিনি মিলিশিয়া এবং ফ্রি সিরিয়ান আর্মির কিছু যোদ্ধারা সেখানে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
লড়াই শুরু হবার পর সেখানে এখনো আটকে থাকা ১৮০০০ শরণার্থীর অবস্থা ‘অমানবিকের চেয়েও খারাপ’ বলে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘের কর্মকর্তারা।
নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি এবং জর্ডানের রাষ্ট্রদূত দিনা কাওয়ার বলেছেন, ইয়ারমুকে ইসলামিক স্টেট এবং আল-নুসরা ফ্রন্ট যে মারাত্মক অপরাধ করছে, তার কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন পরিষদের সদস্যরা। তিনি ইয়ারমুক শিবিরের বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা, মানবিক সাহায্যের প্রবেশ এবং জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে কয়েকশ মানুষ শিবিরটি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত, রিয়াদ মনসুর বলেছেন, শরণার্থীদের জীবন রক্ষা করাটাই তার সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি সদস্য দেশগুলোর প্রতি শরণার্থীদের সরিয়ে অন্য কোন স্থানে কিংবা সিরিয়ার বাইরে নিয়ে যাবার আহ্বান জানিয়েছেন।
