আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল দেশ ইথিওপিয়ায় সাধারণ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। ২০১২ সালে দেশটির প্রভাবশালী নেতা মেলেস জেনাবির মৃত্যুর পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জেনাবির উত্তরসূরী হাইলেমারিয়াম দেসালেজ আবারো ক্ষমতায় আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইথিওপিয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ৬৮ লাখ।
এদিকে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পশ্চিমা পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এছাড়া বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে একনায়কোচিত কৌশল ব্যবহারের অভিযোগ করেছে।
ক্ষমতাসীন ইথিওপিয়ান পিপলস রিভ্যুলুশনারি ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইপিআরডিএফ) পোস্টার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।
রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে এবং তা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া যাবে এবং আগামী ২২ জুন সরকারিভাবে ফলাফল জানানো হবে।
ক্ষমতাসীন ইপিআরডিএফ দুই দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছে এবং এবারও তারা জয়ী হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।
নির্বাচন কমিশন ৪৫ হাজার ৭৯৫ নির্বাচন কেন্দ্র পর্যবেক্ষণের জন্য ৪০ হাজার নির্বাচনী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। বিদেশি পর্যবেক্ষক এসেছে কেবল আফ্রিকান ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে। সংস্থাটি ৫৯ জন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কার্টার সেন্টারকে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ওই দু'টি সংস্থা ২০০৫ ও ২০১০ সালের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছিল।
