কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রায় শূন্যর কোঠায়

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৫, ১৭:৪৯
 
কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় দিনে দিনে প্রায় শুন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এ অবস্থায় দ্রুত নিষ্পত্তি হতে যাচ্ছে ‘রিফ্যুজি ক্ল্যাম’। আবার অনেকের আবেদন বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে। এগুলো কবে শেষ হবে তা বলা মুশকিল।
 
২০০৯ সালে সিলেট থেকে টরন্টোতে এসেছেন ওহাব। এখনো তার ‘কাগজ’ হয়নি। কাঙ্খিত সোনার হরিণের জন্য এখনো ঝুলে আছেন। যে ছোট ছেলেটিকে শিশু অবস্থায় রেখেছিলেন, সে এখন কিশোর। দিন যায়, মাস যায়, বছর যায় কিন্তু পরিবারের সাথে দিন দেখা নেই। কবে দেখা হবে তা ওহাব জানে না! কানাডায় এ রকম ওহাবদের তালিকা দীর্ঘ। ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির গবেষক সহকারী অধ্যাপক সিন রিহান দুজন ইমিগ্রশনের অ্যাডজুডিকেটরের পাঁচ বছরের কার্যক্রমের ওপর জরিপ করে জানিয়েছেন যে, ২০০৭ সালে ডেনিয়েল ম্যাক্সসুইনি ইমিগ্রেশন ও রিফ্যুজি বোর্ডে যোগদানের পর আশ্রয়প্রার্থীর অনুমোদনের হার ছিলো ৪২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। তা হ্রাস পেতে পেতে গত বছর শুন্যের কোঠায় স্থান পায়।  ম্যাক্সসুইনি ২০১১ সালে ১২৭টি আবেদনের সব কটি প্রত্যাখান করেন। তার মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন।
 
জন ডেভিড ম্যাকবিন গত বছর ১০৮ আশ্রয়প্রার্থীর আবেদনের মধ্যে তার বিবেচনায় অনুমোদন দেন মাত্র দুটি আর প্রত্যাখান করেন ১০৬টি আবেদন। তিনি ২০০৬ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ১৯৬টি অর্থাত্ সব কটিই প্রত্যাখান করেন। এ ছাড়া, অভিবাসীদের দেশ কানাডায় এখন অন্যান্য ইমিগ্রেশনও কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে নবনির্বাচিত অভিবাসী-বান্ধব লিবারেল সরকার এ ক্ষেত্রে অনেক নমনীয় হবেন বলে অনেকেই আশা করছেন।