মিশরের রাজধানী কায়রোর একটি নাইটক্লাবে মলোটভ ককটেল (অগ্নিবোমা জাতীয় ককটেল) হামলায় কমপক্ষে ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ হামলায় দগ্ধ হয়েছেন আরও পাঁচজন। শুক্রবার দেশটির আগুজা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
শুক্রবার রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, হামলাকারী ঐ নাইটক্লাবেরই কর্মী ছিল। কিন্তু সম্প্রতি তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
এর আগে মিশরে বেশকিছু সন্ত্রাসী হামলার দায়ভার স্বীকার করেছিল সশস্ত্র সংগঠনগুলো। এই ঘটনার সঙ্গেও তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।
নিহতদের অধিকাংশেরই মৃত্যু হয়েছে দগ্ধ হয়ে অথবা ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে। একটি ভবনের বেইজমেন্টে ওই রেস্তোরাঁ কাম নাইট ক্লাব থেকে হামলার পর বেরিয়ে আসার আর কোনো পথ ছিল না বলে মিশরীয় কর্মকর্তারা জানান।
২০১৩ সালে সেনাবাহিনী মিশরের মোহাম্মেদ মুরসি সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে দেশটির বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে যার শিকার হচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
অবশ্য মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, মালিকের সঙ্গে কর্মীর বিরোধ থেকেই কায়রোর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বর্তা দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুখোশধারী তিনজন এই হামলায় অংশ নেয়। তারা বিস্ফোরক ছুড়েই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের পর ওই রেস্তোরাঁ থেকে ঘন ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে। ভেতরে আগুন জ্বলতে এবং এক কর্মীকে তা নেভানোর চেষ্টা করতেও দেখা যায় এ সময়।
