কলম্বিয়ায় জিকা ভাইরাসে প্রথমবারের মত তিন জনের প্রাণহানি হয়েছে। ল্যাটিন আমেরিকায় এ ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাসে ভয়াবহ জন্মগত ত্রুটির আশংকায় ব্যাপকভাবে গর্ভপাতের আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
সরকারের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রথমবারের মত বিবৃতিতে জিকা ভাইরাসে প্রাণহানির কথা উল্লেখ করেছেন। কলম্বিয়ার জাতীয় স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট (আইএনএস) শুক্রবার জানায়, জিকা ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার পর তাদের মৃত্যু হয়। আইএনএস’র পরিচালক মহামারি ব্যাধি সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ মার্থা লুসিয়া ওসপিনা বলেন, বিশ্ব এখন অনুধাবন করছে যে জিকা প্রাণঘাতী। মৃত্যু হার খুব বেশি নয়। তবে এটা প্রাণঘাতী হতে পারে।
এডিস মশা জিকা ভাইরাস বহন করে। গর্ভবতী নারীরা এ রোগে আক্রান্ত হলে মাইক্রোসেফালিসহ শিশুর জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। শিশুর মাথা অস্বাভাবিকভাবে ছোট হয় এবং শিশুর মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় জিকা ভাইরাসে উপদ্রুত দেশগুলোকে নারীদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও গর্ভপাতের সুযোগ দেয়ার আহবান জানিয়েছে।
ল্যাটিন আমেরিকায় নারীদের গর্ভধারণ একটি স্পর্শকাতর বিষয়। তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় থেকে বলা হয়, জিকা উপদ্রুত দেশগুলো নারীদের গর্ভধারণ এড়িয়ে চলার আহবান জানিয়েছে। তবে ল্যাটিন আমেরিকার অনেক দেশে গর্ভপাত নিষিদ্ধ কিংবা কেবল মায়ের জীবনের আশংকা থাকলেই গর্ভপাতের অনুমতি মেলে। এল সালভাদরে গর্ভপাতের শাস্তি কমপক্ষে ৪০ বছরের কারাদণ্ড। এএফপি।
