যশোরের মনিরামপুরের ১৬ ইউনিয়নে ১৫০টির মধ্যে ১০০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
এ ১৬ ইউনিয়নে ৫৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জয়ের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও জামায়াত প্রার্থীরা। বিএনপি ও জামায়াত অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে শামিল হয়েছে। আর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে মরিয়া। এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসন নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
প্রথম দফার নির্বাচনে যশোরের মনিরামপুরের ১৭ ইউনিয়নের মধ্যে ১৬টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উচ্চ আদালতের আদেশে হরিহরনগর ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যানদের মধ্যে ১০ জন ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর ছয় ইউনিয়নে নতুন প্রার্থী দিয়েছেন বিএনপি। তবে এই দল থেকে ধানের শীষ প্রতীক না পেয়ে হরিদাসকাঠি ইউনিয়নে একজন বিদ্রোহীও হয়েছেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ ১৬টি ইউনিয়নে প্রার্থী দিলেও চারটি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। কয়েক দফায় মনিরামপুরে নির্বাচনী সহিংসতা হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৬ মার্চ চালুয়াহাটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত আওয়ামী লীগ কর্মী মনসুর আলী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এরপর থেকে নির্বাচনী মাঠ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহেরুল ইসলাম জানান, ১৬ ইউনিয়নের ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০০টি ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিটি কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে একজন এসআইয়ের নেতৃত্বে ৫ জন পুলিশ সদস্য ও ১৪ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত একজন পুলিশ সদস্য ও ৩ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।
