নিখোঁজের পাঁচদিন পর স্কুলছাত্র ফিরোজ আলম বাঁধনের বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া গেলো বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এক খালে।
রবিবার নগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন জেলেপাড়ার পাশে জোড়াখাল থেকে বাঁধনের গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আপন চাচাতো ভাই হৃদয় মল্লিকই টাকার লোভে বাঁধনকে খুন করেছে।টানা পাঁচদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে দুপুরে সে খুনের কথা স্বীকার করে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রবিবার বিকালে তাকে নিয়ে জোড়াখাল থেকে বাঁধনের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়।
IMG0
মহানগর ডিবির এসআই সন্তোষ কুমার চাকমা জানান, মূলত টাকার লোভেই বাঁধনকে হত্যা করে তার চাচাতো ভাই হৃদয়। হৃদয় আমাদের জানায়, প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করা হয় বাঁধনকে। পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বস্তায় ভরে লাশ খালে ফেলে দেয়া হয়। বস্তার ওপরের দিকে কিছু আলুও দেয়া হয় যাতে মানুষ সন্দেহ না করে। এই খুনের পর হৃদয় নিজের পরিচয় গোপন করে বাঁধনকে অপহরণ করা হয়েছে জানিয়ে তার বাবার কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
বাঁধন বাবা-মার সঙ্গে পাহাড়তলী থানার ফইল্ল্যাতলি এলাকায় থাকতো। সে পিএইচ আমিন একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। তার পিতা রমজান আলী মল্লিক পেশায় রংমিস্ত্রি ও মা বেগম আক্তার পোশাক কারখানায় কাজ করেন। অন্যদিকে, হৃদয়ের বাবা মফিজুল আলম মল্লিক। বাঁধন ও হৃদয়ের বাবা আপন ভাই। তারা ফইল্ল্যাতলীতে একই বাসায় থাকেন।
