ষষ্ঠ ধাপেও ব্যালট পেপার ছিনতাই, প্রকাশ্যে সিল ও দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ১০টি কেন্দ্রে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। প্রথমদিকে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ চললেও সকাল ১০টার পরে নাওঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩০-৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ব্যালট পেপার ও মার্কিন সিল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ছাড়া বড়তল্লা ও নাওঘাটের অন্য ৩টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনা ঘটেছে।
এ নিয়ে নৌকা প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পুলিশের মধ্যে একাধিক বার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার কবির হোসেন জানান, সকাল সোয়া ১০টার পর হঠাৎ করে ৩০-৪০ জনের একদল যুবক কেন্দ্রে ৭টি বুথে ঢুকে অস্ত্রে মুখে সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছ থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালট ও কিছু মার্কিন সিল লুট করে নিয়ে গেছে।
এদিকে বিকালে আশুগঞ্জ পুশ্চিম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। শনিবার দুপুর ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী উপজেলার খাদ্য গুদাম এলাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সালাহ উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী মো. নুরুল ইসলাম কমান্ডারের সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
