ইয়েমেনে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় কুয়েতে যে শান্তি আলোচনা চলছে তা বন্ধ করে দেবে। কুয়েতে গত চার মাস ধরে সরকার ও হুতি বিদ্রোহীদের মাঝে সমঝোতার জন্য আলোচনা চলছিল। হুতি বিদ্রোহী এবং ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আব্দুল্লাহ সালেহ মিলিতভাবে দেশ পরিচালনা করার ঘোষণা দেয়ার পর হাদি সরকার এই ঘোষণা দিল। হুতি রেভুলেশনারি কমিটি এবং সালেহ’র জেপিসি পার্টি ১০ সদস্যের সুপ্রিম কাউন্সিল গঠন করেছে। সরকার এটিকে হুতি শাসনকে বৈধ করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। ধারণা করা হচ্ছে জোটটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করবে। এর আগে জাতিসংঘ এবং প্রেসিডেন্ট হাদি হুতিদের প্রতি নিয়ন্ত্রণে রাখা শহরগুলো ছেড়ে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, হুতি বিদ্রোহী এবং সালেহি মিলে যাওয়ার কারণে কুয়েতে শান্তি আলোচনার যে অগ্রগতি হয়েছিল তা হুমকির মুখে পড়ল।
গত মার্চে আরব জোট ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ওপর হামলা শুরু করার পর এ পর্যন্ত ইয়েমেনে ছয় হাজার মানুষ মারা গেছে এবং ২২ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। হুতি বিদ্রোহীরা তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবি জানিয়েছে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট হাদি বলেছেন- আমরা কুয়েতে শিয়া মিলিশিয়াদের সাথে আলোচনা চালিয়ে গেছি এই আশায় যে দেশের স্বার্থে হুতিরা যুক্তি মেনে নেবে। ইয়েমেনে এখন কিছু এলাকা প্রেসিডেন্ট হাদি এবং কিছু এলাকা হুতি বিদ্রোহীরা নিয়ন্ত্রণ করছে। এদিকে মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে দেশটিতে।
