মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তদন্তে নিজের নাম না থাকার দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে ‘শোবোট’ ও ‘গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডার’ হিসেবে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
দেশীয় সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, কোমিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তটি তিনি একাই নিয়েছেন।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ান হস্তক্ষেপ ও পরাজিত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল ফাঁস সংক্রান্ত ঘটনাগুলো নিয়ে তদন্ত করে আসছিলেন কোমি। তাকে বরখাস্তের কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা। তার অধীনে এফবিআই সংশয়ের মধ্যে চলছিল। কারো অনুরোধে নয়, আমি নিজ সিদ্ধান্তেই কোমিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তবে কোমির পূর্ববর্তী সফলতাকে খাটো করে দেখানোর জন্য ট্রাম্প এ ধরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এফবিআই প্রধানকে বরখাস্তের পর প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আমি কোমিকে জিজ্ঞেস করেছি, যদি সম্ভব হয় আমাকে বলুন, তদন্তে আমার নাম আছে কিনা। উত্তরে তিনি বলেছিলেন, আপনার ওপর কোনও তদন্ত চলছে না।’
IMG0
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোররাতে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, জেমস কোমিকে চাকরীচ্যুত ও তার কার্যালয় থেকে অপসারণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াশিংটন মর্মাহত বলে জানানো হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোমিকে পাঠানো বহিস্কারপত্রে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসের সুপারিশক্রমে কোমি কার্যকরভাবে এফবিআইয়ের নেতৃত্ব দিতে পারছেন না। চিঠিতে ওই সুপারিশের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তবে তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা শিগগিরই সন্ধান করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু
