শ্রীপুরে জলাবদ্ধতায় শতাধিক পরিবারের দুর্বিষহ জীবন

আপডেট : ২১ জুন ২০১৭, ০১:২২

শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তার বেগুনবাড়ী এলাকার পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় শতাধিক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ছে। চলাচলের সড়কে পানি থাকায় সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত্ আবদ্ধ অবস্থায় পানি জমে বিষাক্ত হয়ে উঠায় চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।

স্থানীয়রা দীর্ঘদিন যাবত্ পৌরসভার কাছে ওই এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়ে আসলেও শ্রীপুর পৌরসভায় মেয়র ও কাউন্সিলরের কাছ থেকে শুধুই আশ্বাস পাচ্ছেন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ওই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য পৌরসভা থেকে প্রায় ১৯ লাখ টাকার টেন্ডার হয়।

পরবর্তীতে কাজের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় তা ২৫ লাখ টাকায় বাড়ানো হয়। যা কার্যাদেশ পায় চুন্নু এন্ড কোম্পানি। কিন্তু চলতি অর্থবছরের কয়েকদিন বাকি থাকলেও এখনও কাজ শুরুই করেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন বলেন, সারা দেশে যখন উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে তখন পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আমরা জলাবদ্ধতায় পড়ে রয়েছি বছরের পর বছর। কোথাও আবেদন করে ফল পাচ্ছি না।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স চুন্নু এন্ড কোম্পানির স্বত্বাধিকারী ফরিদ হাসান চুন্নু বলেন, ১৯ লাখ টাকার দরপত্র হওয়ায় পর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিন ওই এলাকা পরিদর্শন করে কাজের পরিধি বৃদ্ধি করায় কিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে। সেই সঙ্গে বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্ষা শেষ হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী লিয়াকত আলী মোল্ল্যা বলেন, কাজের দরপত্র হওয়ার পর জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজের পরিধি বৃদ্ধি করায় কিছু সময় ব্যয় হয়েছে। তবে ঠিকাদার যদি কাজ শুরু করতে আরো দেরি করে তাহলে তার কার্যাদেশ বাতিল করে, শিঘ্রই কাজ শুরু করা হবে।

ইত্তেফাক/নূহু