শীতে ফ্লু, কোভিড ভাইরাল জ্বরে করণীয় কী? 

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৫৫

আগে থেকেই ওমিক্রন, ডেলটাসহ কোভিডের মহামারি আকারে সংক্রমণ জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এখন এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শীতকালীন এবং ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ রোগীদের হয়েছে যত সমস্যা। কোনটা কোভিড আর কোনটা জ্বর, সর্দি-কাশি বা ফ্লু এটা বুঝা খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই জ্বর হলেই সবাই ছুটছেন উচ্চমূল্যে কোভিড টেস্ট করতে। আর নেগেটিভ হলে ধরে নেওয়া হচ্ছে ফ্লু বা ভাইরাস জ্বর।

মনে রাখতে হবে, ফ্লু আর কোভিডের উপসর্গগুলো প্রায় একই রকম। কারণ কোভিডও এক ধরনের ফ্লু। দুটোই সংক্রামক ব্যাধি। তবে সাধারণ ফ্লুর চেয়ে এটি অধিক সংক্রামক। কোভিড আর ফ্লু উভয়ের ক্ষেত্রে জ্বর, কাশি, শারীরিক দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, বমি, ডায়রিয়া এবং মুখের স্বাদ ও ঘÌাণ হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি। তবে কোভিডের ক্ষেত্রে স্বাদ ও ঘÌাণ অধিক কম অনুভূত হয়। এছাড়া আরো কিছু পার্থক্য আছে যা সাধারণত না জানলেও ক্ষতি নেই।

কোভিড এবং ফ্লু উভয় ক্ষেত্রে চিকিত্সা একই। জ্বর ও শরীর ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল এবং ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি হলে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ বা কাশির ওষুধ সেবন করতে হবে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ফ্লু বা কোভিডের কারণে সেকেন্ডারি ইনফেকশন রোধে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার পÌয়োজন হতে পারে। আর একটি কথা মনে রাখতে হবে- জ্বর দুই-তিন দিনের মধ্যে না কমলে কোভিডের জন্য অ্যান্টিজেন টেস্ট করলেই চলবে। অ্যান্টিজেন টেস্ট পজিটিভ হলে আরটি পিসিআর টেস্ট করলেই হবে। তবে জ্বর কাশি হলে প্রথমে আইসোলেশনে থাকতে হবে। কোভিড টেস্ট নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত আইসোলেশনে বা বাড়ির অন্যদের থেকে আলাদা থাকতে হবে।

লেখক: চুলপড়া, অ্যালার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

ইত্তেফাক/কেকে