‘অ্যারনের মৃত্যু কোন ব্যক্তিগত ট্রাজেডি নয়’

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৩
ইন্টারনেট আন্দোলনকর্মী অ্যারন সোয়ার্জের পরিবার অভিযোগ করেছে, তার আত্মহত্যার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি অফিস এবং ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির (এমআইটি) ভূমিকা রয়েছে। ২৬ বছর বয়সী সোয়ার্জ গত শুক্রবার নিউইয়র্কে তার অ্যাপার্টমেন্টে আত্মহত্যা করেন। সোয়ার্জের পরিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অ্যারনের মৃত্যু কোনো ব্যক্তিগত ট্রাজেডি নয়। সোয়ার্জ মাত্র ১৪ বছর বয়সে ওয়েব ফিডের আরএসএস তৈরি করে ইন্টারনেট জগতের বিস্ময় হিসেবে পরিচিতি পান। এমআইটি’র জেএসটিওআর সার্ভিসে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে ২০১১ সালের জুলাই মাসে তার বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে অভিযোগ আনা হয়। মামলায় তাকে কম্পিউটার প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এই বছরের এপ্রিলে মামলাটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এসব ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তার এই হতাশার কথা তিনি প্রকাশ্যে লিখেছেনও।