শীতকালেও বাজিতপুরে লোডশেডিং গ্রীষ্মকালকেও ছাড়িয়ে গেছে। দিন-রাতে ৭/৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুত্ থাকে না। যতক্ষণ বিদ্যুত্ থাকে এর মধ্যে ২০/২৫ বার বিদ্যুত্ যাওয়া-আসা করে।
সীমাহীন লোডশেডিং ও বিদ্যুত্ বিপর্যয়ের কারণে প্রায় সময়ই শহরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকে। সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জরুরি যান্ত্রিক চিকিত্সা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে। এসব কারণে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। একাধিক বিদ্যুত্ গ্রাহক জানান, অসহনীয় লোডশেডিং চললেও বিদ্যুত্ বিল কখনও কম আসে না।
বাজিতপুর আবাসিক প্রকৌশল (বিদ্যুত্) অফিসে জানতে চাইলে- এ প্রতিনিধিকে সব সময়ই একই উত্তর দেয়া হয়, ‘আমাদের করার কিছু নেই- ঢাকা থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়’, অথবা ‘লাইনে ফল্ট’।
