সোমবার ভোরে ৫৮ বছর বয়সী ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে ভেনেজুয়েলায় ফিরে এসেছেন। ফেরার পরপরই তাকে একটি সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার ফিরে আসার কোনো ছবি প্রকাশ করা হয়নি, শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে শারীরিক জটিলতা এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
শ্যাভেজের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ বিবরণে জানা গিয়েছিল, তার কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে এবং একটি বায়ুনলের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন।
শ্যাভেজ কথা বলতে খুব পছন্দ করেন, এমন একটি ধারণা প্রচলিত আছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্যুইটারে নিয়মিত মন্তব্য লিখতেন (ট্যুইট) এবং ল্যাতিন আমেরিকার অন্যান্য বামপন্থি নেতাকে একই কাজ করার জন্য উত্সাহিত করতেন।
২০১০ সালের এপ্রিলে ট্যুইটারে যোগ দেয়ার পর থেকেই তার অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এদের মধ্যে তার ভক্তরা যেমন আছেন, তেমনি সমালোচক ও কৌতূহলীরাও আছেন। সাধারণত দীর্ঘ বক্তৃতা দিতে অভ্যস্ত শ্যাভেজ ট্যুইটারের ১৪০ শব্দ সীমার মধ্যে কি বলেন, বিশেষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কি বলেন তা জানতে অনেকেই কৌতূহল বোধ করেন। কিন্তু ক্যান্সার ধরা পড়ায় কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি নিয়ে চিকিত্সা শুরু করার পর থেকে ট্যুইটারে তার উপস্থিতি কমতে থাকে। ১ নভেম্বর, ২০১২ থেকে ট্যুইট করা একেবারে বন্ধ করেন তিনি। সোমবার সকাল থেকে আবার ট্যুইটারে উপস্থিত হয়েছেন তিনি।
টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত মন্ত্রিসভার এক বৈঠক থেকে বিষয়টি জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। তিনি বলেন, “ভোর সাড়ে চারটা-পাঁচটার দিকে ট্যুইটার একাউন্টে বার্তা পাঠিয়ে তিনি আমাদের অবাক করে দিয়েছেন। তিন কি চারটা বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি।
