সারা বিশ্বে এক ঘণ্টা অন্ধকারে ছিল বিখ্যাত সব স্থাপনা

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০১৩, ২১:১৪
জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপারে সচেতন করতে শনিবার গোটা বিশ্ব এক ঘন্টার জন্য অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। বিশ্বকে টিকিয়ে রাখার প্রতীকী সমর্থন প্রকাশের অংশ হিসেবে সারাবিশ্বে স্থানীয় সময় রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত পালিত হয় ‘আর্থ আওয়ার’। এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং, আইফেল টাওয়ার ও ক্রেমলিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, বাসা-বাড়িতে ৬০ মিনিটের জন্য বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়। শনিবার রাত সাড়ে আটটা বাজার সাথে সাথেই নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের সব বাতি একযোগে নিভিয়ে দেয়া হয়। ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিও নগরীর বিখ্যাত ইপানিমা সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ক্রাইস্ট দ্য রেডিমির সাময়িক অন্ধকারে ডুবে যায়। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেস নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি ভবনেও একই ঘটনা ঘটে। আলোকোজ্জ্বল নগরী প্যারিসের আইফেল টাওয়ারেও রাতের নিস্তব্ধতা নেমে আসে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তা মাত্র পাঁচ মিনিট স্থায়ী ছিল। মস্কোর ক্রেমলিন এই প্রথমবারের মত পুরো ঘন্টা অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল। আর্থ আওয়ার পুরোপুরি মানতে প্রেসিডেন্ট ভ্ল¬াদিমির পুতিনের নির্দেশ ছিল। ভেনিসের কেন্দ্রস্থলে সেন্ট মার্কস স্কয়ারের বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়। পরে সেখানে মোমবাতি জ্বালানো হয়। সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড, জাতীয় পার্লামেন্ট, জাতীয় জাদুঘর ও পাঁচটি ব্রিগেডের সর্বত্র অন্ধকারে ডুবে যায়। পার্শ্ববর্তী দেশ বসনিয়ার সারায়েভো ক্যাথেড্রাল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মোস্তার শহরে পুরানো সেতুতে আলো চলে যায়। সিডনিতে উত্সবের মাধ্যমে আর্থ আওয়ার পালিত হয়। চাকচিক্যময় সিডনি অপেরা হাউস অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার পর জাপানের ঐতিহাসিক টোকিও টাওয়ার ও হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল, চীনের রাজধানী বেইজিং, সাবেক অলিম্পিক স্টেডিয়াম ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অন্ধকারে ডুবে যায়। ভারতের কুতুব মিনার, হূমায়ুনের কবর ও রেড ফোর্টসহ বিভিন্ন স্থানের বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়।