নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত্, দুর্নীতি, ইউপি মেম্বারদের সাথে অসদাচরণসহ নানান অনিয়মের অভিযোগে ইউনিয়নের সকল মেম্বার এবং নির্বাচিত মহিলা সদস্য ভোটের মাধ্যমে অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন। গত বুধবার নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইসলাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক মনোনীত প্রশাসনিক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভোটের মাধ্যমে এই অনাস্থা জ্ঞপান করা হয়। পূর্বধলা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০-১১-১২ অর্থ বছরের এলজিএসপির প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত সাড়ে ১১ লাখ টাকা আত্মসাত্, ভিজিএফের চাল আত্মসাত্, ইউনিয়নের ট্রেড লাইসেন্সের টাকা আত্মসাত্ এবং ইউনিয়ন পরিষদের সভা না করে ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করে জোরপূর্বক সদস্যদের দস্তখত আদায়ের অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান (লাক মিয়া) জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করলে গত বছর এই চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য তার বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে জেলা প্রশাসক বরাবরে দরখাস্ত দিলে জেলা প্রশাসক পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এই প্রেক্ষিতে গত বুধবার ইউনিয়ন অফিসে পক্ষে-বিপক্ষে ভোটের ব্যবস্থা করা হলে ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্যই গোপন ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। প্যানেল চেয়ারম্যান ইসলাম উদ্দিন জানান, নিয়ম মোতাবেক গত বৃহস্পতিবার থেকে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বক্তব্য নেবার জন্য তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল ধরেননি।
