টুকরো খবর

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৪৫
সবার জন্য উন্মুক্ত, তবে... অষ্টম বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হবে। কিন্তু স্টেডিয়ামে সাধারণ দর্শক খুব বেশি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন না। ২৫ হাজার ৫৭০টি সিট রয়েছে স্টেডিয়ামে। আয়োজকদের দেয়া তথ্য অনুসারে তারা পাঁচ হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ডিসপ্লেতে অংশ নেয়া পাঁচ হাজার শিল্পী পারফর্ম করে গ্যালারীতে গিয়ে বসবেন। ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে তিন হাজার আমন্ত্রণপত্র দেয়া হয়েছে। বিওএ বলেছে, ১২ হাজার ৫৭০টি সিট সাধারণ দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছে। সাধারণ দর্শকদের প্রবেশে কোনো আমন্ত্রণপত্র লাগবে না। বিকাল চারটায় গেট খোলা হবে। যারা আগে আসবেন তারাই প্রবেশ করতে পারবেন। গ্যালারীর সাধারণ দর্শকদের জন্য বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ৮, ১২ এবং ১৮ নম্বর গেট খোলা থাকবে। মশাল হাতে জুম্মন লুসাই বাংলাদেশ গেমসের মূল মশাল প্রজ্বলন করবেন এদেশের সাবেক তারকা হকি খেলোয়াড় জুম্মন লুসাই। যারা হকির পুরনো দর্শক তাদের কাছে জুম্মন লুসাই একটি আদরনীয় নাম। এই হকি খেলাটি যে ক’জন খেলোয়াড় আলোকিত করেছেন জুম্মন লুসাই তাদের একজন। একেবারে সাদামাটা তার জীবন। নিভৃত চলাফেরা। পোশাক-আশাক দেখলে বোঝার উপায় নেই এই মানুষটি তার চোখ ধাঁধানো নৈপুণ্য দিয়ে বিশ্ব হকির একাদশে নাম লিখিয়েছিলেন। এদেশের মানুষকে সম্মানিত করেছেন। ঢাকায় ’৮৫ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এশিয়া কাপ হকিতে ইরানের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। এটি বাংলাদেশের আন্তুর্জাতিক হকিতে প্রথম হ্যাটট্রিক। যে হাতে হকি স্টিক দিয়ে যাদুর খেলা দেখিয়েছিলেন মাঠের ফুলব্যাক জুম্মন লুসাই, সেই হাতে আজ বাংলাদেশ গেমসের মশাল প্রজ্বলন করবেন তিনি। মশালের উপরে না উঠে মশালের গোড়ায় আগুনের স্পর্শ করার সাথে সাথে দুই পাশ থেকে ফায়ার বল জ্বলে উঠবে। ফায়ার বল থেকে আগুন গিয়ে পৌঁছবে মূল মশালে। গতকাল সাভার স্মৃতিসৌধ থেকে মশাল জ্বালিয়ে র্যালি শুরু হয়। বিকাল সাড়ে চারটায় মশাল প্রজ্বলন করে ক্রীড়াবিদদের হাতে তুলে দেয়া হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছায়। আজ দুপুর দুইটায় ৩৬ জন ক্রীড়াবিদ মশালটি বহন করে বিকাল পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌঁছাবেন। শুরুর আগেই প্রথম স্বর্ণ বাংলাদেশ গেমসের স্বর্ণ জয়ের উত্সবটি শুরু হয়েছে রমনা টেনিস কমপ্লেক্স থেকে। স্বর্ণ জয় করেছেন ইঞ্জিনিয়ার্স রিক্রিয়েশন সেন্টারের অমল রায়। তিনি ডাবল ক্রাউন জয় করেছেন; একই দিনে দু’দুটো স্বর্ণ জিতেছেন এবারের গেমস থেকে। সকালের সাফল্য বিকাল পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছেন এই কৃতী টেনিস খেলোয়াড় অমল রায়। সকালে দ্বৈতে এবং বিকালে এককের স্বর্ণ জয় করেন তিনি। বিকালে এককের ফাইনালে অমল রায় হারিয়েছেন নরডিক ক্লাবের আলমগীর হোসেনকে। এর আগেই সকালে স্বর্ণ জয়ের স্বাদ পান দ্বৈতের ফাইনালে। সেখানে তার পার্টনার ছিলেন রাজশাহীর জাফর ইমাম টেনিস কমপ্লেক্সের হেনরী পৃথুল মন্ডল। এই জুটি ফাইনালে হারিয়েছেন জাতীয় টেসিন কমপ্লেক্সের রঞ্জন রাম এবং গোপালগঞ্জ টেনিস ক্লাবের মিজানুর রহমান জুটিকে। এককে ব্রোঞ্জ জিতেছেন আনোয়ার হোসেন এবং দ্বৈতে আনোয়ার এবং দীপু লাল জুটি। আগামীকাল সকাল ৯টায় মহিলা একক, মহিলা দ্বৈত ও মিক্সড ডাবলস ইভেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হবে। বেলা সাড়ে ১১টায় খেলা শুরু হবে।