ঘূর্ণিঝড়ে ভবন বিধ্বস্ত তাঁবুর নিচে ২৭৫ পরীক্ষার্থী

আপডেট : ১১ জুন ২০১৩, ২১:০২
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার কাকড়াবুনিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা ভবন সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা মাঠে তাঁবু টানিয়ে শুরু হয়েছে ছাত্রীদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা। গত সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মাদ্রাসার ২৭৫ জন ছাত্রী বৃষ্টি ও জলকাদার মধ্যে তাঁবুর নিচে প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত ১৬ মে ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে মাদ্রাসার ১২টি শ্রেণিকক্ষের ১০টি কক্ষই সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা নূর মোহম্মদ জানান, ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের তাণ্ডবে মাদ্রাসার টিনশেড ভবনটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। এরপর প্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি ছিল। শনিবার মাদ্রাসা খোলার পর শ্রেণিকক্ষ না থাকায় পাঠদান সম্ভব হয়নি। রবিবার মাদ্রাসার প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত তারিখ থাকায় বাধ্য হয়ে তাঁবু টানিয়ে পরীক্ষা শুরু করতে হয়। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নুরুজ্জামান জানান, কাকড়াবুনিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসাটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে মাদ্রাসায় প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। গত ঘূর্ণিঝড় সিডরে মাদ্রাসা ভবনটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছিল। এরপর ৫০ হাজার টাকা অনুদানে টিনশেড ভবনটি সংস্কার করা হয়। সমপ্রতি ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের আঘাতে মাদ্রাসা ভবনটি নতুন করে আবার বিধ্বস্ত হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব তাঁবুর নিচে পরীক্ষা নেয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ে মাদ্রাসার ভবন ধসে শ্রেণিকক্ষের সংকট দেখা দেয়ায় তাঁবু টানিয়ে বিকল্পভাবে পরীক্ষা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।