লাকসামে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম। শুধু বাণিজ্যিক নয়, আবাসিক কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নৈমিত্যিক কর্মকাণ্ডও পরিচালিত হচ্ছে নির্দ্বিধায়। লাকসাম পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুমোদন বহির্ভূত তালিকার ৩৫টি ভবন চিহ্নিত করে ২০ দিনের মধ্যে এগুলো ভাঙ্গার নির্দেশ দিয়েছেন। পৌর এলাকায় অনেককে ২ তলার অনুমোদন নিয়ে ৪-৫ তলা ভবন নির্মাণ করতে দেখা গেছে। বাইপাসের চৌধুরী ম্যানসনটি ১৯৮৮ সালে ২ তলা ভবনের অনুমোদন নিয়ে ৪ তলা ভবন ও তার ওপর মোবাইল কোম্পানীর ৩টি টাওয়ার বসিয়েছেন মালিক। ২০০৬ সালে পৌর কর্তৃপক্ষ ২ তলার উপরের অংশ অপসারণের চূড়ান্ত নোটিস দিলেও তা আমলে নেয়নি ভবনের মালিক। অন্যদিকে, এ তালিকায় রয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশের একমাত্র মহিলা নবাব নওয়াব ফয়েজুন্নেছা চৌধুরানীর স্মৃতি বিজড়িত নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজ, নওয়াব ফয়েজুন্নেছা ও বদরুন্নেছা যুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়। জানা গেছে, পৌরসভার নিয়ম অমান্য করে আবাসিকের স্থলে বাণিজ্যিক, ৫তলা অনুমতি নিয়ে ৬তলা বা ৭তলা ভবন নির্মাণ, ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, ফাটল ধরা, ২০০০ সালের আগে কিছু ভবন নির্মাণ হলেও এগুলোর অনুমোদনের কোনো ডকুমেন্ট পৌরসভার ফাইলে না থাকায় ভবনগুলো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। লাকসাম পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন জানান, উল্লেখিত ভবনগুলো পৌরসভার দেয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকদের স্ব-উদ্যোগে ভাঙা না হলে পৌরসভা বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
