তাইওয়ানে ঘূর্ণিঝড় ‘সৌলিক’ আঘাত হেনেছে। গতকাল শনিবার ভোরে এটি রাজধানী তাইপেতে আঘাত হানলে একজনের মৃত্যু ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এ ঘটনার পর সেখান থেকে হাজার হাজার লোককে অন্যত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কায় দ্বীপ দেশটিকে ‘সতর্কতা অঞ্চল’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সৌলিকের আঘাতে নিহত ব্যক্তি হচ্ছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা (৫০)। ঝড়ের সময় বিল্ডিংয়ের একটি ইট এসে তার মাথায় পড়লে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, আট হাজারেরও বেশি লোককে তাদের বাড়ি-ঘর থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এর বেশিরভাগই দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৩ হাজার কাওশিয়াং শহর থেকে এবং ২ হাজার পিংতান এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় সরকার ভবনে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় উঁচু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছে। এ ঘটনার পর তাইপের অফিস ও স্কুলসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আটটি শহরের অধিবাসীদের সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে। তাদেরকে ঝড়ের সময় বাড়ির বাইরে না থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অফিস জানায়, ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৭০ কিলোমিটার । উত্তর-পূর্ব উপকূলে এটি বেশি আঘাত হানে। ঝড়ের কারণে একটানা বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং আগামী একসপ্তাহ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর আগে বৃহস্পতিবার প্রায় দুই হাজার পর্যটককে গ্রিন আইসল্যান্ড থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের আগস্টে ঘূর্ণিঝড় মোরাকতে সেখানে প্রায় ৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়।
