ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সাধুখালী গ্রামে একটি খুনের ঘটনার পর আসামিপক্ষের প্রায় অর্ধশত বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এসব বাড়িতে বাড়ির ভিটে এখন ঘুঘু চড়ছে।
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মির্জাপুর ইউনিয়নের সাধুখালী গ্রামের বর্তমান মেম্বর মোস্তাক হোসেনের সাথে পরাজিত মেম্বর আব্দুস সাত্তারের শত্রুতা চলে আসছিল। গত ১১জুলাই দুইদলের সংঘর্ষে ফরেজ মণ্ডল নামে একজন খুন হয়। এরপর গ্রাম জুড়ে শুরু হয় নৈরাজ্য। গ্রামে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।
আসামিদের অধিকাংশ কাঁচা-পাকা বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে আছে। গ্রামের শহিদুল মাস্টার, রবিউল মণ্ডল, আমিরুল দর্জি, তোবারেক, ইউনুস, ওসুল মণ্ডল, লতিফ মাস্টার, জোনাব আলি, মনির, বিপুল, কাশেম, লিটন, সানারুদ্দিন, রাজ্জাক, হবিবর মণ্ডল, গহর মণ্ডল, গোলাম খাঁসহ প্রায় অর্ধশত বাড়ি লুটপাটের পর ভাংচুর করা হয়েছে।
খুনের ঘটনায় প্রকৃত আসামি ছাড়াও নিরীহ, নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। গ্রামের টাউটমহল এ হত্যাকে কেন্দ্র করে অর্থ বাণিজ্য করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। নিহত ফরেজ মণ্ডল ভাই কুদ্দুস মণ্ডল বাদি হয়ে শৈলকুপা থানায় ৭৮ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
শৈলকুপা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন আসামিদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের কথা স্বীকার করে জানান, কেউ মামলা দিলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
