কৃষিজাত পণ্যের মধ্যে মশলা অন্যতম। রফতানি পণ্যের তালিকায় অপ্রচলিত এ পণ্যটির রফতানি দিন দিন বাড়ছে। দেশের এ পণ্যটির বেশি উত্পাদন হওয়ার ফলে দেশিয় চাহিদা পূরনের পর রফতানি সম্ভব হচ্ছে। গত অর্থবছরে আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি মশলা রফতানি হয়েছে। তবে চলতি অর্থবছরে প্রথম তিন মাসে আগের অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যে দেখা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেশ থেকে দু্ই কোটি ১১ লাখ ডলারের মশলা রফতানি হয়েছে। এ সময়ে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক কোটি ৫৭ লাখ ডলার। অর্থাত্ ওই সময়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৪ দশমিক সাত শতাংশ বেশি। আর তার আগের বছর অর্থাত্ ২০১১-১২ অর্থবছরে মশলা রফতানির পরিমাণ ছিল এক কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাত্ আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি মশলা রফতানি হয়েছে। অন্যদিকে চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে এ উপখাতের রফতানি হয়েছে ৫১ লাখ মার্কিন ডলার। জানা গেছে, মশলার মধ্যে মূলত পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয়।
