বোর শীতকালীন সবজির দাম চড়া

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৯
দেশের অন্যতম প্রধান সবজি উত্পাদনকারী এলাকা পশ্চিমের জেলাগুলোর বাজারে সবজির দাম চড়া। সব ধরনের সবজি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। পাইকারি বাজারগুলোতে সবজির আমদানি বাড়লেও দর কমছে না। যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, মূলা, বরবাট, পালংশাক, লাউসহ সব ধরনের শীতের সবজি বাজারে উঠেছে। মাস দেড়েক আগে বাজারে ফুলকপি উঠতে শুরু করে। প্রথমে প্রতি কেজি খুচরা ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। পরে দাম কমে ২৫-৩০ টাকায় নেমে আসে। বর্তমানে দাম ফের চড়ে গেছে। প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি ভাদ্র মাস থেকে বাজারে উঠছে। প্রথমে প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়। পরে দাম পড়ে প্রতি কেজি ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে দাম চড়ে ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বেগুনের দাম আকাশ ছোঁয়া। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শিমও মাস দুই আগে উঠেছে। বর্তমানে বাজারে আমদানি বাড়ছে। কিন্তু দাম পড়ছে না, খুচরা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা এক পিস লাউ ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে মূলার দাম সস্তা। তাও প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে। অন্যান্য বছর এ সময় শীতকালীন সবজিতে বাজার ভরে উঠে,্ দামও কমে যায়। প্রতিটি সবজির দাম গত বছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার খুলনা বিভাগে ৬৯ হাজার ১৬ হেক্টরে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। আর উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৯ টন। ইতিমধ্যে সব ধরনের সবজি চাষ শুরু হয়ে গেছে। বাজারেও উঠছে।