জাপানের এক দম্পতির মেয়ে অপহরণের ৩৮ বছর পর মেয়েটির গর্ভজাত সন্তানের সঙ্গে গত সপ্তাহে অলৌকিকভাবে তাদের সাক্ষাত্ ঘটে। ১৯৭৭ সালে ঐ দম্পতির ১৩ বছরের মেয়ে মেগুমি ইয়োকোটা বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে উত্তর কোরিয়ার একটি এজেন্ট দ্বারা অপহূত হয়। একপর্যায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার এক নাগরিকের সঙ্গে ইয়োকোটার বিবাহ হয় এবং ১৯৯৪ সালে তিনি আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যা করার কয়েক বছর আগে ইয়োকোটা একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন এবং মেয়েটি বর্তমানে মঙ্গোলিয়ায় বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন পর গত সপ্তাহে ঐ দম্পতি তাদের নাতনির সঙ্গে অলৌকিকভাবে মঙ্গোলিয়ায় সাক্ষাত্ পান।
মেগুমি ইয়োকোটা একমাত্র মেয়ে যিনি ৭০ দশকে কোন কোরিয়ান এজেন্ট দ্বারা প্রথম অপহূত হন। পরবর্তীতে উত্তর কোরিয়া এজেন্ট দ্বারা জাপান থেকে অপহূত কয়েকজনকে ফেরত দিলেও বাকিরা নিখোঁজ ও মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু বাকি অপহূতদের মারা যাওযার ব্যাপারে কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাননি বলে জানিয়েছে জাপান। তবে মেগুমি ইয়োকোটার মত একটি শিশুকে অপহরণের ঘটনা জাপান সহজে মেনে নিতে পারেনি। তাকে জাপানের একটি শহর থেকে নৌকায় করে উত্তর কোরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
