জয় আনতে পারলেন না সাকিব

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৩৬
মাঝের দুই ম্যাচে দলে ছিলেন না। যখন ফিরলেন তখন সেই ফেরাটাকে ব্যক্তিগত অর্জন দিয়ে স্মরণীয়ই করে রাখলেন বাংলাদেশি অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে ব্যাট-বল উভয় বিভাগেই সাকিবের জ্বলে ওঠার দিনে জয় বঞ্চিত হল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সুপার ওভারে টাই হলেও বেশি বাউন্ডারির সুবাদে জিতে গেল রাজস্থান রয়্যালস। টসে হেরে প্রথমে বল করতে নামা কলকাতার সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সাকিব। বিনয় কুমার চার ওভার বল করে দুটি উইকেট নিলেও ইকোনমি রেট বিবেচনায় এগিয়ে ছিলেন সাকিব। বিনয় দিয়েছেন ৩০ রান। আর সাকিব চার ওভার বল করে ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে রাজস্থান সংগ্রহ করে ১৫২ রান। সর্বোচ্চ ৭২ রান আসে আজিঙ্কা রাহানের ব্যাট থেকে। এছাড়া শেন ওয়াটসন ৩৩ ও সাঞ্জু স্যামসন ২০ রান করেন। জবাবে কলকাতার শুরুটা ছিল ধীরগতির। ক্রমাগত ব্যর্থ অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর ৪৫ রান করলেও বল খেলেন ৪৪টি। আর ১৩ রান করতেই ১৭ বল খেলে ফেলেন দক্ষিণ আফ্রিকান অল রাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস। এরপরও জয়ের পথেই হাঁটছিল কলকাতা। সূর্যকুমার যাদব ও সাকিবের ব্যাটে ভর করে ১৮ ওভারের মধ্যে মাত্র চার উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান তুলে ফেলে কলকাতা। কিন্তু আসল নাটকটা তখনও দেখেনি আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়াম। নিজের মাত্র দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসেই ঝড় তোলেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার জেমস ফকনার। এক ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নেয়ার পাশাপাশি রান দেন মাত্র চার। শেষ ওভারে ১২ রান তোলার চ্যালেঞ্জ তখন সাকিবের সামনে। সেখানে থেকে রান আসে ১১! ম্যাচ টাই! সাকিব ১৮ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। এখানে এবার রাজস্থানের সামনে ১২ রানের লক্ষ্য দেয় কলকাতা। সেখানে রাজস্থান করতে পারে ১১। আবারও টাই! কিন্তু ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারির মালিক হবার কারণে জয় পেয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দিয়ে সাকিব মোটামুটি উের গেলেও কলকাতার জন্য বিপদ ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। পঞ্চম ম্যাচের মধ্যে তৃতীয় পরাজয়ে এখন তারা মাত্র চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে অবস্থান করছে চতুর্থ অবস্থানে।