গুপ্তচরবৃত্তির বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে:যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৪, ২১:৫৪
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির জন্য জার্মানির সঙ্গে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ হয়ে সমপ্রতি এক জার্মান গোয়েন্দার তথ্য পাচারের অভিযোগকে ‘গুরুতর’ বলে অভিহিত করেছেন দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ওই জার্মান গোয়েন্দাকর্মী যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ হয়ে কাজ করতো। শনিবার বিষয়টি নিয়ে বার্লিনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলবও করেছিল জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর গত সোমবার চীন সফররত জার্মানির চ্যান্সেলর বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রতিবেদন যদি সত্য হয়, তাহলে এটা একটা গুরুতর পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হবে।’ তিনি বলেন, মিত্রদের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক যেমন হওয়া উচিত এ বিষয়টি তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, বরং তার পরিষ্কার বরখেলাপ। এরকম অবস্থায় গত সোমবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জোশ আর্নেস্ট সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে সমস্যাটা নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির ‘মূল্যবান’ সম্পর্কের প্রশংসা করে বলেন, ‘আমরা এই পরিস্থিতি যথাযথভাবে নিষ্পত্তির জন্য জার্মানদের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি।’ বিবিসির বার্লিন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরির নতুন এই অভিযোগ উঠায় যুক্তরাষ্ট্র-জার্মানি মিত্রতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) সাবেক কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা তথ্যে বিশ্বব্যাপী গোপন নজরদারি পরিকল্পনার আওতায় জার্মানির চ্যান্সেলর মার্কেলের ফোন ও ইমেইলে আড়িপাতা হচ্ছে— এমন তথ্যও জানা গিয়েছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির উষ্ণ সম্পর্কে কিছুদিনের জন্য শীতল বাতাস বইতে শুরু করে।